
মায়ের মৃত্যুদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরুচিকর আক্রমণের মুখে পড়ে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী। তিনি ঘোষণা করেছেন, আপাতত ব্যক্তিগত পোস্ট থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। এখন থেকে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পেজে শুধুমাত্র কাজের আপডেটই থাকবে। কিন্তু এই ঘোষণার পরেও বিতর্ক ও কটাক্ষ যেন আরও বেড়েছে।
একাংশ নেটিজেন দাবি করেছেন, সমালোচনার মুখে পড়েই এই সিদ্ধান্ত। কেউ কেউ কটাক্ষ করে লেখেন, আক্রমণ এড়াতে দূরে সরে গেলেও মতাদর্শ বদলাননি তিনি। আবার অন্য একজন লেখেন, আগে ইমনের গানের ভক্ত থাকলেও সাম্প্রতিক কিছু রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর অবস্থানের পর থেকে আর গান শোনার আগ্রহ নেই। একই সঙ্গে কয়েকজন অন্য তারকার নামও টেনে আনা হয়, যাঁদের রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অতীতে বিতর্ক হয়েছে।
তবে সমালোচনার পাশাপাশি ইমনের পাশে দাঁড়িয়েছেন অনেকেই। তাঁদের বক্তব্য, একজন শিল্পীর ব্যক্তিগত মত বা সম্পর্কের কারণে তাঁর শিল্পকে অস্বীকার করা উচিত নয়। কেউ প্রশ্ন তোলেন, নির্দিষ্ট রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তৈরি ছবিতে বহু শিল্পী কাজ করেছেন, তা হলে কি তাঁদের সকলের কাজ বয়কট করা হবে?
উল্লেখ্য, ‘বঙ্গবিভূষণ’ সম্মান পাওয়ার পর থেকেই ইমনকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ধরনের আক্রমণ শুরু হয়। সম্প্রতি তিনি আক্ষেপ করে জানান, সমালোচনার নামে তাঁর প্রয়াত মাকেও টেনে আনা হয়েছে, যা তাঁকে গভীরভাবে আঘাত করেছে।
এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠছে, ক্রমবর্ধমান ট্রোল সংস্কৃতির জেরে কি তারকারা ধীরে ধীরে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে সরে যাবেন? নাকি সময়ের সঙ্গে বদলাবে অনলাইন আচরণের ধরন? আপাতত ইমনের সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক অব্যাহত।
