
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই-র মৃত্যুর পর প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি কার্যত বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে বলে দাবি তেহরানের। ইরানের সামরিক বাহিনী এবং Islamic Revolutionary Guard Corps (IRGC) জানিয়েছে, শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর জবাব দেওয়া হবে ‘নরকের দরজা খোলা থাকবে’।
২৭টি মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু?
আইআরজিসি দাবি করেছে, পশ্চিম এশিয়ায় ২৭টি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। ইজরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে সতর্কতা জারি হয়েছে। তেল আভিব-এ বিস্ফোরণের শব্দ শোনার খবর মিলেছে স্থানীয় সূত্রে। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলও সতর্ক
বাহরেইন-এর রাজধানী মানামা-য় বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। উপসাগরীয় একাধিক দেশে উচ্চ সতর্কতা জারি হয়েছে। ভারত মহাসাগরে মার্কিন নৌ-সহায়ক জাহাজে আক্রমণের দাবিও করেছে ইরান, যদিও স্বাধীনভাবে তা যাচাই করা যায়নি।
ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর কড়া প্রতিক্রিয়া
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইতিমধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। পাল্টা আঘাতের ইঙ্গিতও মিলেছে ওয়াশিংটন ও তেল আভিবের তরফে।
জাতিসংঘের উদ্বেগ
পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে United Nations। মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এই সংঘাত আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পাল্টাপাল্টি হামলা দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলবাজার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় বড় প্রভাব পড়তে পারে। আপাতত গোটা পশ্চিম এশিয়া উচ্চ সতর্কতায়, এখন দেখার, পরিস্থিতি আর কতটা জটিল হয়।
