বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভিযোগ করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট তাঁকে এবং তাঁর বোন শেখ রেহানাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। আওয়ামি লিগের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি অডিয়ো বার্তায় তিনি জানান, “মাত্র ২০-২৫ মিনিটের ব্যবধানে আমরা মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যাই।” বিভিন্ন সময়ে তাঁকে হত্যা চেষ্টার ষড়যন্ত্র হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। ২১ অগস্ট গ্রেনেড হামলা, কোটালীপাড়ার বোমা বিস্ফোরণ, এবং ৫ অগস্টের ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়াকে তিনি আল্লাহর ইচ্ছা বলেও উল্লেখ করেন।
এদিকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শেখ হাসিনাসহ ৯৭ জনের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে। তবে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ভারত সরকার সম্প্রতি শেখ হাসিনার ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে। তথ্য অনুযায়ী, তাঁর রেসিডেন্ট পারমিটের মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে। যদিও ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার কোনও আইন না থাকায় তাঁকে বৈধ ভিসার মাধ্যমে থাকতে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে মোদী সরকার।
এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। গুম-খুনের মামলায় প্রাপ্ত প্রসিকিউশনের আবেদনের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের সভাপতি মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান জানিয়েছেন, ভারত যদি শেখ হাসিনাকে ফেরত না পাঠায়, তবে অনুমতি সাপেক্ষে ভারতে গিয়ে তাঁকে জেরা করা হবে।
তবে ঢাকার তরফে দিল্লির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে নোট ভার্বাল পাঠানো হলেও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি ঘিরে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও তীব্র হয়েছে।
