
পশ্চিমবঙ্গের মহিলা ও যুবসমাজের জন্য নতুন আর্থিক সহায়তার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী মহিলা এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত হলে মাসে সর্বোচ্চ ১৫০০ টাকা পর্যন্ত ভাতা পাবেন। সাধারণ জাতির মহিলারা এই ভাতা পাবেন হাজার টাকার পরিমাণে, আর তপশিলি বা সংরক্ষিত শ্রেণীর মহিলাদের জন্য এই পরিমাণ ১৫০০ টাকা।
তবে কিছু নির্দিষ্ট শ্রেণীর মহিলারা এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য হবেন না। যেমন বর্তমান বা প্রাক্তন স্থায়ী সরকারি কর্মচারী, সংসদ বা বিধায়ক, আয়করদাতারা। এছাড়া বয়স্ক পেনশন, বিধবা বা নিঃস্ব মহিলা পেনশন, প্রতিবন্ধী পেনশন প্রভৃতি ইতিমধ্যেই চলমান সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় থাকা মহিলারাও এই নতুন স্কিমের সুবিধা পাবেন না।
এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল মহিলাদের সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা, যাতে তারা নিজস্ব জীবনযাত্রা, শিক্ষা ও স্বাবলম্বী হওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছন্দ্য বোধ করেন। রাজ্য সরকারের অন্যান্য প্রকল্পের মতো যেমন ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’, ‘যুবসাথী’, ‘কন্যাশ্রী’, ‘রূপশ্রী’ ইতিমধ্যেই রাজ্যের মহিলাদের প্রতি মাসে অর্থনৈতিক সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে। নতুন এই প্রকল্পও সেই ধারাবাহিকতার অংশ।
এছাড়া, পঞ্জাবে এ ধরনের নতুন স্কিম ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে, ১৮ বছর বয়সী মহিলারা সরাসরি ভাতার জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মাসে টাকা জমা হবে। বাংলাতেও এই ধরনের প্রকল্পের লক্ষ্য মহিলাদের ক্ষমতায়ন এবং আর্থিক স্বাধীনতা বৃদ্ধি।
সংশ্লিষ্ট সরকারি সূত্র জানিয়েছে, মহিলা আগ্রহী হলে আজই নাম নথিভুক্ত করতে পারেন। এছাড়া, প্রকল্পের সুবিধা পেতে প্রয়োজনীয় সকল শর্ত পূরণ করা জরুরি। যারা ইতিমধ্যেই অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় আছেন, তাঁরা নতুন স্কিমের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।
১৮ বছর বয়স হলেই মাসে ১৫০০ টাকা ভাতা, একটি বিশেষ সুযোগ মহিলাদের জন্য। তবে সরকারি কর্মচারী, আয়করদাতা বা ইতিমধ্যেই অন্যান্য ভাতা পাচ্ছেন এমন মহিলাদের জন্য এই সুবিধা প্রযোজ্য নয়। নতুন এই স্কিমের মাধ্যমে রাজ্য সরকার মহিলাদের স্বাবলম্বিতা ও আর্থিক স্বাধীনতা বৃদ্ধির লক্ষ্য রাখছে।
