
বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর আবহে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের চাপের মুখে রাজ্যের বিদায়ী দমকলমন্ত্রী Sujit Bose। তাঁকে তৃতীয়বারের জন্য নোটিস পাঠাল Enforcement Directorate। একইসঙ্গে তলব করা হয়েছে রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী Rathin Ghosh-কেও। তদন্তকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এবারও হাজিরা এড়িয়ে গেলে আইন অনুযায়ী কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
সূত্রের খবর, এর আগে দু’বার তলব করা হলেও নির্বাচনী প্রচারের ব্যস্ততা দেখিয়ে হাজিরা দেননি সুজিত বসু। তিনি জানিয়েছেন, ভোটের পর মে মাসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যেতে পারবেন। তবে তদন্ত সংস্থা সেই যুক্তি মানতে নারাজ বলেই জানা গেছে। বৃহস্পতিবার তিনি ইডির বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ তুলে চিঠিও পাঠান, যা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়।
অন্যদিকে, জমি দখল সংক্রান্ত আরেকটি মামলায় রথীন ঘোষকেও সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তিনিও নির্ধারিত দিনে উপস্থিত হননি বলে সূত্রের দাবি। এর পরই দুই মন্ত্রীকে নতুন করে তলব করে ইডি।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, পুর নিয়োগ দুর্নীতি ও অন্যান্য আর্থিক অনিয়ম সংক্রান্ত একাধিক তথ্য যাচাই করতেই এই জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। নির্বাচন সামনে থাকায় রাজ্যে একের পর এক তল্লাশি ও তলবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। শাসক শিবিরের দাবি, ভোটের আগে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।
সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরার নির্দেশ ঘিরে প্রশাসনিক মহলেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট নথি ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এই ডাকে জোর দেওয়া হচ্ছে।
এই ঘটনার পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়েছে। বিরোধীরা বলছে, দুর্নীতির তদন্ত স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। অন্যদিকে শাসকদলের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে নেতাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতেই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
আসন্ন West Bengal Assembly Election 2026-এর আগে এই তলব রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপ ও উত্তেজনা তৈরি করেছে।
