
বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-কে ঘিরে ভোটার তালিকা সংশোধন এবং ট্রাইবুনালে অনুমোদিত ভোটারদের ভোটাধিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মামলা ফের শিরোনামে। শুক্রবার এই সংক্রান্ত শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টে, যেখানে স্পষ্ট কোনও সিদ্ধান্ত না দিয়ে বিষয়টি আগামী ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে।
এই মামলার মূল প্রশ্ন হলো, যেসব ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে এবং পরে ট্রাইবুনালে তাঁদের আবেদন ‘পাশ’ হয়েছে, তাঁরা আসন্ন নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কি না। আবেদনকারীদের পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে জানান, অনেক আবেদন এখনও নিষ্পত্তি হয়নি, অথচ ভোটার তালিকা নির্ধারিত সময়েই ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। এতে বহু নাগরিকের ভোটাধিকার অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
এই মামলায় যুক্তি-তর্কে উঠে আসে ভোটার তালিকা ফ্রিজ করার সময়সীমা নিয়েও প্রশ্ন। বিচারপতিরা জানান, বিষয়টি শুধু প্রশাসনিক নয়, বরং সাংবিধানিক অধিকারের সঙ্গেও যুক্ত। তাই পুরো কাঠামো বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। আদালত স্পষ্ট করে জানায়, ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তি হওয়া ব্যক্তিদের ভোটাধিকার নিয়ে চূড়ান্ত রায় ১৩ এপ্রিল দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্ধারিত সময়েই ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং সেই পরবর্তীতে পরিবর্তনের সুযোগ সীমিত। তবে নাগরিকদের ভোটাধিকার সংরক্ষণ নিয়েও সংবিধানগত দিক বিবেচনা করা হবে বলে মত দেওয়া হয়।
এই পুরো মামলাটি বর্তমানে নজর কাড়ছে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে। কারণ এর রায় সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে বহু মানুষের ভোটাধিকার ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার ওপর।
সুপ্রিম কোর্টের এই মামলায় আগামী ১৩ এপ্রিল কী সিদ্ধান্ত আসে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য ও দেশের রাজনৈতিক মহল। Supreme Court of India এবং Election Commission of India-এর অবস্থান এই মামলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
