বেতনভুক কর্মচারীদের অবসরের পর নিয়মিত আয়ের উৎস না থাকায় তাঁদের নির্ভর করতে হয় সঞ্চিত বিনিয়োগের ওপর। এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড (ইপিএফ) স্কিম কর্মীদের অবসরকালীন আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই স্কিমে কর্মী ও নিয়োগকারী উভয়েই বেসিক বেতনের ১২ শতাংশ হারে অবদান রাখেন, যা দীর্ঘমেয়াদে বড় অঙ্কের সঞ্চয়ে পরিণত হয়।
সরকার প্রতি বছর ইপিএফ সুদের হার নির্ধারণ করে, যা ট্যাক্স ফ্রি। অবসরের সময় কর্মীরা তাঁদের পিএফ তহবিল তুলে নিতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন কর্মীর মাসিক বেতন ৫০,০০০ টাকা হয় এবং তিনি ৩০ বছর ধরে ইপিএফ স্কিমে অবদান রাখেন, তাহলে ৮.১% সুদের হারে তাঁর তহবিল প্রায় ২.৫ কোটি টাকা হতে পারে।
ইপিএফও সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
1.জরুরি প্রয়োজনে ইপিএফ থেকে অগ্রিম টাকা তোলা যায়।
2.৮০সি ধারার আওতায় কর সুবিধা পাওয়া যায়।
3.ইপিএফ সদস্যরা ইডিএলআই স্কিমের মাধ্যমে ৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে ইনস্যুরেন্স সুবিধা পান।
4.কর্মীর মৃত্যু হলে বৈধ উত্তরাধিকারী ৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন।
5.ইপিএফ সিস্টেম সঞ্চয়, পেনশন এবং করমুক্ত সুদ সুবিধা প্রদান করে।
জুন মাসের মধ্যেই ইপিএফও নতুন সফটওয়্যার সিস্টেম EPFO 3.0 চালু করতে চলেছে। শ্রম মন্ত্রী মনসুখ মান্ডভিয়া জানিয়েছেন, এই আপডেটের ফলে সদস্যদের দেওয়া হবে এটিএম কার্ড এবং চালু করা হবে মোবাইল অ্যাপ। নতুন ব্যবস্থা ইপিএফ ব্যবস্থাকে ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের মতো আরও সহজ এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি করে তুলবে। ফলে পিএফ তোলার প্রক্রিয়াও সহজ হয়ে যাবে।
সরকারের এই পদক্ষেপ কর্মীদের আর্থিক নিরাপত্তাকে আরও জোরদার করবে এবং ডিজিটাল সুবিধার মাধ্যমে ইপিএফ ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত করবে।
