আবারও উত্তাল হয়ে উঠল সোমবারের বিধানসভা। বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হতেই সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়। অভিযোগ উঠল হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে কথা বলতে না দেওয়ার। তারই প্রতিবাদ জানিয়ে ওয়াকআউট করলেন বিজেপি বিধায়করা। শুধু তাই নয়, প্রতিবাদী বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন স্পিকার। কথা কাটাকাটি হয় হিরণের সঙ্গেও। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে যে, মার্শাল ডাকতে বাধ্য হন স্পিকার।
এদিন বিধানসভার অধিবেশন থেকে সাপপেন্ড হয়ে যান ফালাকাটার বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মন। তাঁর বিরুদ্ধে স্পিকারের প্রতি অভিযোগ উঠেছে অভব্য আচরণের। এদিন বিধায়করা সামগ্রিক ডামাডোলের প্রতিবাদ জানিয়ে বিধানসভার বাইরে বেরিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিজেপি বিধায়কেরা। চলতে থাকে স্লোগান।
জানা গিয়েছে যে, সোমবার বিধানসভার দ্বিতীয়ার্ধে বাজেট অনুমোদন বিষয়ে হিরণ নিজের বক্তব্য পেশ করেছিলেন। তখন হিরনের করা মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় স্পিকার বলেন,” এসব বলে আপনার কোনও লাভ হবে না।” তারই পাল্টা হিরণ বলেন, “কিসে লাভ হবে, আর কিসে হবে না তার মধ্যে আপনি কেন আসছেন।” এই নিয়ে শুরু হয়ে যায় কথা কাটাকাটি।
কথা কাটাকাটি ছাড়াও, হিরনের জন্য নির্দিষ্ট করার সময়ের আগে তাঁর মাইক বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বক্তৃতা মাঝপথে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে স্পিকারের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন মনোজ ওরাং, শঙ্কর ঘোষের মতো বিজেপি বিধায়কেরা। স্পিকার বারবার করে থামতে বললেও কানে তোলেননি নিয়ে বিজেপি বিধায়করা। তখনই মার্শাল ডাকেন স্পিকার। মার্শাল দিয়ে মনোজ ওরাওকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। তাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে অন্যান্য বিজেপি বিধায়করা ওয়াকআউট করে বেরিয়ে যান।
