কলকাতার হোটেলে দিল্লির এক তরুণীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়াল। এই ঘটনায় গ্রেফতার অভিযুক্ত এক প্রৌঢ়। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর থানা এলাকায়। ওই প্রৌঢ় ওই তরুণীকে চলতি মাসে দিল্লি থেকে কলকাতায় ডেকেছিল কাজ দেওয়ার নাম করে।
এরপর ভবানীপুর থানা এলাকার শরৎবোস রোডে একটি হোটেলে গত ৭ তারিখ তরুণীকে নিয়ে যায় ওই অভিযুক্ত৷ অভিযোগ, সেখানেই ধর্ষণ করা হয় তাঁকে। ওই নির্যাতিতা এই ঘটনার তিন দিন পর অর্থাৎ সোমবার থানার দারস্থ হন। আইনজীবীকে নিয়ে ভবানীপুর থানার দ্বারস্থ হন তিনি। সেখানেই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা। লিখিত অভিযোগ পেতেই অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে। জানা গিয়েছে, ভবানীপুর থানা এলাকার বাসিন্দা অভিযুক্ত প্রৌঢ়। যদিও ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ্যে আনা হয়নি তদন্তের স্বার্থে।
গতকালই বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে আলিপুর আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে চান তদন্তকারীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলকাতা পুলিশের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক এই প্রসঙ্গে জানান, “অভিযোগ পেয়ে আমরা অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পেরেছি।” পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লিতে থাকলেও বেশ কিছুদিন ওই তরুণী কাজ করতেন কলকাতার একটি পানশালায়। হঠাৎ কাজ কাজ চলে যাওয়ায় দিল্লি জন তিনি ৷ তবে এই প্রৌঢ়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে কাজের জন্য আবার কলকাতায় ফিরে আসেন তরুণী ৷
পানশালাতেই ওই তরুণীর আলাপ হয় অভিযুক্তের সঙ্গে। আলাপের পর নিজেকে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত দেন তিনি। সে এমনকি ওই তরুণীকে কাজ দেওয়ার প্রলোভন দেখায়। ওই তরুণীর হাতে বর্তমানে কাজ না থাকার জন্য কলকাতায় এসে প্রৌঢ়ের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। পুলিশকে ওই তরুণী জানান,দেখা করার নামে তাঁকে হোটেলে ডেকে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। মুখ বন্ধ রাখতে হুমকি দেওয়া হয়। অবশেষে পুলিশের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা।
