মার্কিন সামরিক শক্তির অন্যতম ভয়ঙ্কর যুদ্ধবিমান এবার ভারত মহাসাগরের বুকে উড়তে দেখা গেল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধুই সামরিক মহড়ার অংশ নয়, বরং ইরানকে কড়া বার্তা দিতেই মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপ।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানান, হুথিদের প্রতিটি হামলাকে আমেরিকা ইরানের আক্রমণ হিসেবেই দেখবে এবং তার জবাবও দেওয়া হবে যথাযথভাবে। ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারির ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ভারত মহাসাগরের আকাশে উড়তে দেখা গিয়েছে মার্কিন যুদ্ধবিমান।
ব্রিটিশ সরকার নিয়ন্ত্রিত দ্বীপ ডিয়েগো গ্রাসিয়ায় মার্কিন বায়ুসেনার এই অবস্থান নতুন কিছু নয়। অতীতেও মধ্যপ্রাচ্যের উপর সামরিক চাপ বাড়াতে এই দ্বীপে শক্তি বাড়িয়েছে আমেরিকা। এবারও ইরানের প্রতি হুথি বাহিনীর সমর্থন বন্ধ করতে এবং যুদ্ধের বার্তা দিতে এই ঘাঁটিকে কাজে লাগানো হচ্ছে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১৫ মার্চ হুথিদের উপর হামলার পরিকল্পনা করেছিল মার্কিন সেনা। একটি ফাঁস হওয়া চ্যাটের স্ক্রিনশটে দেখা গিয়েছে, মার্কিন সামরিক আধিকারিকরা এই হামলায় ব্যবহৃত যুদ্ধবিমান এবং কৌশল নিয়ে আলোচনা করছেন।
এই পরিস্থিতিতে ভারত মহাসাগরে মার্কিন যুদ্ধবিমান ও ঘাঁটির উপস্থিতি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে। ইরান কি এই হুমকির পাল্টা জবাব দেবে? নাকি ট্রাম্প প্রশাসন আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে? আপাতত সারা বিশ্ব তাকিয়ে আছে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে।
