মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রের সরকারি মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে এক তরুণী জুনিয়র চিকিৎসককে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত একজন সহকর্মী ডাক্তার। মঙ্গলবার গোয়ালিয়র পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ সুপার অশোক জাদনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার ঘটনাটি ঘটে। নির্যাতিতা তরুণী গজরাজ মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী এবং মেয়েদের হস্টেলে থাকতেন। অভিযুক্ত ডাক্তার তাঁকে পরীক্ষার জন্য ডেকে ফাঁকা একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনা পর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা, যার পর অভিযুক্ত পলাতক হলেও দ্রুত গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা চিকিৎসক অভিযুক্তের সহপাঠী। ধর্ষণের পর অভিযুক্ত তরুণীকে হুমকিও দেয়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় অভিযুক্ত একাই ছিলেন। তবে অন্য কেউ যুক্ত কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে।
এই ঘটনার সঙ্গে ২০২০ সালের আরজি কর হাসপাতালের এক তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার সাদৃশ্য পাওয়া যাচ্ছে। সেই মামলাও আজও আদালতে চলছে। তবে এবার নির্যাতিতা প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন এবং আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঘটনার পর থেকে গোয়ালিয়র মেডিক্যাল কলেজে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, এরকম ঘটনায় কেন বারবার ডাক্তারি পেশার শিক্ষার্থীরা শিকার হচ্ছেন? কীভাবে হস্টেলের মতো জায়গায় এমন ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।
পুলিশ নির্যাতিতার বয়ান রেকর্ড করেছে। মেডিক্যাল রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ঘটনার নিন্দা জানিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিক্ষোভের সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে। এই ঘটনায় প্রশাসন কতটা কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে, তা দেখার অপেক্ষায় সবাই।
