ইউক্রেনের ভূগর্ভে বিপুল পরিমাণ মূল্যবান খনিজ রয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা। বিশেষত টাইটেনিয়াম, লিথিয়াম, ইউরেনিয়ামসহ একাধিক খনিজ পাওয়া গেছে, যা বৈশ্বিক প্রযুক্তি ও শক্তি শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই খনিজ সম্পদের দখল ও ব্যবহারের জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ক্রমশ বাড়ছে, যার কেন্দ্রে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনের সঙ্গে একটি বিশেষ চুক্তি করতে চেয়েছিলেন, যাতে আমেরিকা এই মূল্যবান খনিজের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ পায়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সেই চুক্তি বাতিল করেন। এই সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হয়ে ট্রাম্পের নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ ইউক্রেনের সমালোচনা করেন এবং দাবি করেন, ইউক্রেনের উচিত ছিল চুক্তিতে স্বাক্ষর করা, যাতে দেশটি আরও সাহায্য পেতে পারে।
ইউক্রেনের গবেষণা সংস্থার মতে, দেশটির ভূগর্ভে প্রায় ১০৯ ধরনের মূল্যবান খনিজ রয়েছে। এর মধ্যে বেশ কিছু খনিজ রয়েছে রাশিয়ার দখলে থাকা অঞ্চলে। তবে এসব খনিজ আসলে কতটা ব্যবহারযোগ্য, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে।
এদিকে, পাকিস্তানের বালোচিস্তান প্রদেশেও স্বাধীনতার দাবি জোরদার হচ্ছে। পাকিস্তানের সংসদ সদস্য মৌলানা ফাজলুর রেহমান স্বীকার করেছেন, বালোচিস্তান কার্যত পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। তাঁর বক্তব্যের পর ফ্রি বালোচিস্তান মুভমেন্ট (FBM) দাবি করেছে, এই অঞ্চলের উন্নয়ন ও শান্তির জন্য স্বাধীনতা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বালোচিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের কেন্দ্র। সেখানে বারবার মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে, সাধারণ নাগরিক ও সমাজকর্মীদের গুম ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ইরান ও আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনো অনিশ্চিত।
