ভারতীয় ক্রিকেটে আবারও সোনালী অধ্যায় যোগ করলেন রোহিত শর্মা। তাঁর নেতৃত্বে ভারত ২০২৫ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা জিতল। ফাইনালে রোমাঞ্চকর ম্যাচে ভারত প্রতিপক্ষকে হারিয়ে এই সম্মান অর্জন করে। রোহিতের কৌশলী অধিনায়কত্ব ও দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভারতীয় ক্রিকেট ভক্তরা পেলেন আরও একটি গর্বের মুহূর্ত।
ফাইনাল ম্যাচে টসে জিতে ভারত ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। ওপেনিং জুটিতে রোহিত শর্মা ও শুভমান গিল দারুণ শুরু করেন। রোহিত ৭৮ রান এবং গিল ৬৫ রান করে দলকে শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করান। তবে মিডল অর্ডারে বিরাট কোহলি এবং সূর্যকুমার যাদব দ্রুত ফিরে গেলে চাপে পড়ে ভারত। সেই সময় হার্দিক পান্ডিয়া ও রবীন্দ্র জাদেজা দলকে বিপদমুক্ত করেন। পান্ডিয়া ৪৫ বলে ৬২ রান করেন এবং জাদেজা করেন অপরাজিত ৪০ রান। ফলে ভারত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৮৫ রান তোলে।
জবাবে প্রতিপক্ষ দল ভালো শুরু করলেও ভারতীয় বোলাররা শেষ মুহূর্তে ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নেয়। মহম্মদ শামি দুর্দান্ত বোলিং করেন এবং মাত্র ৪৫ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন। বুমরাহ এবং কুলদীপ যাদবও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষ দল ৪৮ ওভারে ২৪৫ রানে অলআউট হয়ে যায় এবং ভারত ৪০ রানে জয়লাভ করে।
রোহিত শর্মা ম্যাচের পরে বলেন, ‘‘দল হিসেবে আমরা অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছি। প্রতিটি খেলোয়াড় নিজের দায়িত্ব পালন করেছে। সমর্থকদের ভালোবাসা এবং প্রত্যাশা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। এই জয় দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য উৎসর্গ করছি।’’
রোহিত শর্মার নেতৃত্বে এটি ভারতের দ্বিতীয় আইসিসি ট্রফি জয়। এর আগে ২০২৩ সালে তিনি ভারতের হয়ে আইসিসি বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। দলের পারফরম্যান্সে বোলারদের পাশাপাশি ফিল্ডারদের অবদানও ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন মহম্মদ শামি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রোহিত শর্মার নেতৃত্বে ভারতের এই সাফল্য ভবিষ্যতে দলের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের আধিপত্য আরও মজবুত করবে। আগামী দিনে ভারতীয় দলকে নিয়ে সমর্থকদের প্রত্যাশা আরও বেড়ে গেল এই ঐতিহাসিক জয়ের পর।
