বীরভূমের রাজনীতিতে ফের ঝড়ের ইঙ্গিত! কাজল শেখের তোপে তৃণমূলের অন্দরে তীব্র আলোড়ন। ‘তরমুজ’ তত্ত্ব সামনে এনে দলীয় বিরোধীদের একহাত নিলেন তিনি। কটাক্ষের নিশানায় সেই পুরনো প্রতিপক্ষ—অনুব্রত শিবির!
শনিবার নানুরের পাপুড়ি গ্রামে শহীদ সভার মঞ্চে গর্জে উঠলেন কাজল। কথার মোচড়ে বুঝিয়ে দিলেন, দলের ভিতরে লুকিয়ে থাকা ‘দ্বিচারীদের’ আর ছাড় নেই। দলের বাইরে সবুজ, কিন্তু ভিতরে লাল—এই দ্বৈত চরিত্রকে একেবারে উলঙ্গ করে দিলেন তিনি!
একুশ থেকে চব্বিশের ভোট—সব দেখেছেন কাজল। প্রত্যেকবারই কিছু নেতা পাঁচিলে বসে দল পাল্টানোর ফন্দি কষেছেন। এবার আর তাদের সুযোগ দেওয়া হবে না! পরের নির্বাচনে দলবদলের স্বপ্ন দেখলেই, সরাসরি পাঁচিলেই আটকে রাখা হবে, এমন হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। কথার ধার এতটাই ছিল যে, অনুব্রত অনুগামীদের কানে পৌঁছতেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গেছে।
কাজল শুধু এখানেই থামেননি! কোর কমিটির বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে কটাক্ষের মাত্রা আরও বাড়ালেন। স্পষ্ট জানালেন, বৈঠকের জন্য সবাইকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, কিন্তু কেউ কেউ আসেননি। তাদের আচরণ শহীদদের প্রতি অবজ্ঞারই প্রমাণ! উপস্থিত কর্মীদের উদ্দেশে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে বুঝিয়ে দিলেন, এই ‘নীরব দর্শকদের’ দল আর সহ্য করবে না।
এই মন্তব্যের জেরে দলীয় অন্দরেই নতুন করে মেরুকরণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বীরভূমের তৃণমূল কি তবে আবার দুই শিবিরে ভাগ হতে চলেছে? ছাব্বিশের ভোটের আগে রাজনৈতিক অঙ্কে যে আরও নতুন সমীকরণ আসতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য!
