সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাজ্যজুড়ে বাতিল হয়ে গিয়েছে ২০১৬ এর সমগ্র প্যানেল। বাতিল হয়ে গিয়েছে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক শিক্ষিকা সহ অশিক্ষক কর্মচারীর চাকরি। আর এই চাকরি বাতিলের পর রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়েছে যোগ্য ও অযোগ্যদের নিয়ে। লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে অযোগ্য ব্যক্তিরা চাকরি পেয়েছেন বলে প্রথম থেকেই সুর চড়িয়েছেন বিরোধীরা। যদিও সেই চাকরিও চলে গিয়েছে। তাই টাকা তো গেলই, সঙ্গে সঙ্গে চলেও গেল চাকরিটাও। তাই এবার সেই ঘোষের টাকা উদ্ধার করার জন্য তৎপর হলো সিপিএমের ছাত্রসংগঠন এফএফআই। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে পোস্ট করেছে বাম-ছাত্র-যুব।
সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ঘুষের টাকা উদ্ধারের জন্য ওই ব্যক্তিদের পরিচয় গোপন রাখা হবে। এবার সেই পথেই হাঁটতে চলেছে কেষ্ট-কাজলের জেলা অর্থাৎ বীরভূমের এসএফআইয়ের সদস্যরা। ইতিমধ্যেই এসএফআইয়ের পক্ষ থেকে দুটি ফোন নম্বর দেওয়া হয়েছে। তাই ঘুষ দেওয়া প্রার্থী, অর্থাৎ ঘুষ দিয়ে যারা চাকরি পেয়েছেন তাঁরা চাইলেই ফোন করে সমস্ত তথ্য জানাতে পারবেন। আর সেই নম্বর গুলি হল ৯০৬৪৩০০৩৩৫, ৮৯১৮৩৪২৮৮৯। উল্লেখিত নম্বরগুলিতে ফোন করে টাকা দেওয়ার যাবতীয় তথ্য জানাতে পারবেন ঘুষ দেওয়া চাকরি প্রার্থীরা।
এ বিষয়টি নিয়ে সিপিএম-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী জানান, “আপনারা থানায় যান। কোর্টে যান। আমরা আপনাদের পাশে আছি। যে কোনও প্রয়োজনে সাহায্য করব। পুলিশের কাছে গিয়ে টাকা আদায় করুন। আমরা সমস্তভাবে আপনাদের সঙ্গে আছি।” ঠিক এই কারণেই ঘুষের টাকা উদ্ধারের জন্য থানা এবং আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে এসএফআই।
