পরিতোষ সাহা : সিউড়ি
ওয়াকফ সংশোধনী বিল এখন আইনে পরিণত হয়েছে।সেই আইন রাজ্যকে মানতেই হবে।এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি ও সাংসদ দিলীপ ঘোষ।ব্যক্তিগত কারণে বৃহষ্পতিবার বীরভূমে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন।
ওয়াকফ সংশোধনী আইন নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে তৃণমূলের মিছিল থেকেই বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়ের বিরুদ্ধে স্লোগান শোনা যায়।সেই বিলে ভোটদান থেকে বিরত থাকার জন্য সাংসদের বিরুদ্ধে পোস্টারও দেখা যায়।যা নিয়ে ইতিমধ্যেই অস্বস্তিত্বে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।এই প্রসঙ্গে,দিলীপ ঘোষ বলেন,“ওয়াকফ সংশোধনী বিল এখন আইনে পরিণত হয়েছে।এর আগেও রাজ্য সরকার ৩৭০ ধারা,তিন তালাক আইন মানতে চাননি।পরে মানতে বাধ্য হন।সুতরাং এই আইনও মানতে হবে।আর তৃণমূলের যে যে নেতারা ওয়াকফের সম্পত্তি দখল করে আছেন তাদের ছাড়তে হবে।”ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী থেকে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম পরিষ্কার ভাবে রাজ্যবাসী কে জানিয়েছেন, রাজ্যে ওয়াকফ সংশোধনী আইন লাঘু হবে না।আর সেই নিয়েই রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে।যার জেরে জঙ্গিপুরে এক ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে।
দিলীপ মনে করেন বর্তমান রাজ্য সরকারের অন্তর্জলী যাত্রা শুরু হয়ে গেছে।কারণ,মমতা ব্যানার্জি হাতে সরকার থেকে দল কোন কিছুই নিয়ন্ত্রণে নেই।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী,রাজ্যে ২৬ হাজার স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের ঘটনায় রাজ্য উত্তাল।সেই আবহের মধ্যে প্রাক্তন বিচারপতি ও বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গাঙ্গুলির যে পদক্ষেপ তার ভূয়সী প্রশংসা করেন দিলীপ ঘোষ।তিনি বলেন,“উনি প্রাক্তন বিচারপতি। উনি সবটাই জানেন।ওনার কাছে নিশ্চয় তথ্য আছে।উনি তো মুখ্যমন্ত্রীর সাথেও দেখা করার কথা বলেছিলেন।কিন্তু রাজ্য তা চাই না।যে ১৮ হাজার যোগ্য শিক্ষক আছে।যাদের কাছে নথি আছে।তাদের কোর্টে যাওয়া উচিত”।
আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সরকারের পতন হয়ে বিজেপি নতুন সরকার আনবে।আশাবাদী দিলীপ।কারণ,যে ভাবে এবার রামনবমীর অনুষ্ঠান পালিত হয়েছে।এখানকার সমাজ ভাবছে এই সরকার থাকলে খুন বাড়বে,হিংসা বাড়বে,দুর্নীতি বাড়বে।ধীরে ধীরে পশ্চিমবাংলার ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে এগিয়ে যাবে।তারাই পরিবর্তন করবে।
