এসআই রিটন দাস, কসবাকাণ্ডের তদন্তভার এবার তাঁর ওপর। কসবায় চাকরিহারাদের বিক্ষোভের ঘটনায় এফআইআর দায়ের করা হয়। এবার তারই তদন্তভার সামলাবেন এসআই রিটন দাস। গত বুধবার যে ভিডিও (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা হয়নি) ভাইরাল হয়, সেখানে দেখা গিয়েছে চাকরিপ্রার্থীদের লাথি মারেন বলে অভিযোগ এসআই রিটন দাস। সেই এসআইকেই চাকরিহারাদের বিরুদ্ধে মামলায় তাঁকে তদন্তকারী অফিসার হিসাবে নিয়োগ করা হল এবার।
উল্লেখ্য, বুধবার জেলায় জেলায় ডিআই অফিস অভিযানে নামেন ‘যোগ্য’ চাকরিহারা প্রার্থীরা। কসবায় সেই অভিযানকে কেন্দ্র করে তুমুল গণ্ডগোল হয়। অভিযোগ ওঠে, ওইদিন নাকি ডিআই নিজের দফতরে অনুপস্থিত ছিলেন। দফতর ছিল তালাবন্ধ অবস্থায়। মিছিল করে চাকরিহারারা সেখানেই যান। কেউ কেউ নাকি আবার তালা ভেঙে দফতরে ঢোকার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। ডিআই নিজে ওই ঘটনার পর একটি অভিযোগ দায়ের করেন। লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মামলার তদন্তের ভার সামলাবেন রিটন দাস।
কসবারকান্ডের পরেই সমালোচনার ঝড় ওঠে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, এক প্রতিবাদী চাকরিপ্রার্থীর বুকে পুলিশের এক কর্তা রীতিমত পা তুলে দিয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, তিনিই নাকি এসআই রিটন দাস। ওই দিন কলকাতা পুলিশের তরফে পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা সাংবাদিক বৈঠক করেন। তিনি জানান, পুলিশের উপর হামলা চালানো হয় বিনা প্ররোচনায়। তবে যে ঘটনা ঘটেছে তা একেবারেই কাম্য নয়। লাথি মারার ভাইরাল ভিডিও প্রসঙ্গে তিনি জানান, ওই ঘটনার আগে পরে আরও কিছু ঘটনা ঘটে। আহত হয়েছেন পুলিশের ছ’জন। পরে বৃহস্পতিবার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে পুলিশ। সেখানে দেখা যায়, জনৈক বিক্ষোভকারী বলছেন, “পেট্রল নিয়ে আয়, জ্বালিয়ে দেব।” যদিও এহেন মন্তব্যের কথা মানতে নারাজ চাকরিহারারা।
