হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর প্রথম বড় বক্তৃতায় ডোনান্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।মঙ্গলবার তার উত্তরসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের অস্থির ও উগ্র সংস্কারের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। জো বাইডেন অভিযোগ করেন, ট্রাম্পের এই ধ্বংসযজ্ঞ মার্কিন নাগরিকদের অবসরকালীন সুবিধা তথা সোশ্যাল সিকিউরিটিকে বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট পদ ছাড়ার পর মঙ্গলবার শিকাগোতে প্রথম জনসভায় বক্তব্য রাখেন তিনি। বিশেষ ভাবে সক্ষম মানুষদের নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে বাইডেন বলেন, সামাজিক নিরপাত্তার ক্ষেত্রে বর্তমান প্রেসিডেন্ট খড়্গহস্ত ধারণ করেছেন। বাইডেন জানান, “শুধুমাত্র ১০০ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে এই প্রশাসন এতটা ক্ষতি করেছে, এতটা ধ্বংস ডেকে এনেছে যা ভাবা যায় না।”
আমেরিকায় লক্ষাধিক মানুষ সরকারের সামাজিক সুরক্ষার উপর নির্ভরশীল। ট্রাম্প তাঁর বন্ধু ও উপদেষ্টা ইলন মাস্কের পরামর্শে দেশে ব্যাপক হারে ব্যয় সংকোচনের নীতি নিয়েছে সরকার। ফলে, অনেকেরই আশঙ্কা, এই ক্ষেত্রে ব্যয় কমালে বিপদে পড়বেন সাধারণ মানুষ। বাইডেন অভিযোগ করেন, ট্রাম্প এবং তার ধনকুবের সহযোগী ইলন মাস্কের নেতৃত্বে “ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি” গঠনের মাধ্যমে সোশ্যাল সিকিউরিটি বিভাগে বিপুল পরিমাণে কর্মী ছাঁটাই এবং পরিকাঠামো ধ্বংস করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, “ট্রাম্প প্রশাসন সোশ্যাল সিকিউরিটি বিভাগে একধাক্কায় ৭,০০০ কর্মীকে বের করে দিয়েছেন।”
তবে বাইডেনের অভিযোগের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে হোয়াইট হাউস ও ডোনাল্ড ট্রাম্প।সামাজিক সুরক্ষা খর্ব করার বিষয়টি অস্বীকার করে ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লিভিট বলেন, “অ্যামেরিকার করদাতা নাগরিকদের প্রতি ট্রাম্প দায়বদ্ধ। তাদের সামাজিক সুরক্ষার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।” রিপাবলিকানরা প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। ট্রাম সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো কমেন্ট ছাড়াই বাইডেনের অসংলগ্ন বক্তব্যের একটি ভিডিও পোস্ট করেন।
Leave a comment
Leave a comment
