ভারতের আকাশের অদৃশ্য ঢাল!
স্নিগ্ধা চৌধুরী
সুদর্শন চক্র!এটি আর শুধু এক নাম নয়, যেন এক আধ্যাত্মিক অস্ত্র, এক অদৃশ্য ঢাল, এক নির্ভুল প্রতিশোধের প্রতীক।
আজ, হাজার বছর পর, সেই পুরাণের চক্রই যেন জেগে উঠেছে ভারতের আকাশে।
পাকিস্তান যখন ঘুমন্ত শত্রুর মতো ১৫টি শহরে ছায়া হানার ছক কষছিল, ভারত তখন প্রস্তুত ছিল! নীরবে, নিখুঁতভাবে। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিল পাক সেনা। কিন্তু যে দেশ ‘সুদর্শন চক্র’ নামের এক প্রযুক্তি-দেবতা নিজের আকাশে বসিয়েছে, তাকে হারানো যায় না।
রাশিয়ার তৈরি, ভারতের আত্মার সঙ্গে মিশে যাওয়া এই S-400 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম যেন স্বয়ং বিষ্ণুর হাতে থাকা সুদর্শন। শত্রু ড্রোন হোক বা ক্ষেপণাস্ত্র,আকাশ ছুঁতেই পারেনি। চক্র ঘুরেছে, কেটে ফেলেছে বাতাসে পাক মিসাইলের শর। এক মুহূর্তেই নিস্তব্ধ, এক ঝটকায় ধ্বংস।
শ্রীনগর, পাঠানকোট, ভূজ থেকে চণ্ডীগড়! যেখানে আক্রমণের ছায়া পড়েছিল, সেখানেই জেগে ছিল সুদর্শন চক্র। চোখে দেখা যায় না, অথচ তার ঘূর্ণি ধ্বনি যেন শত্রুর মগজে বজ্রপাত করে।
এক একটি আঘাত যেখানে মৃত্যুর বার্তা নিয়ে আসত, সেখানে ‘সুদর্শন চক্র’ হয়ে উঠেছে ভারতের নব-অস্ত্র, এক আধুনিক পৌরাণিক প্রতিশোধ।
সুদর্শন চক্র এখন শুধু রাডার ডোমেনের নাম নয়,
এটা আমাদের জাতীয় অহংকারের ত্রিমাত্রিক প্রতিমা।
যেখানে শত্রু তাকায়, সেখানেই ঘোরে চক্র।
যেখানে হুমকি জন্মায়, সেখানেই নেমে আসে বজ্রঘাত।
ভারতের আকাশ এখন মুক্ত নয়,
সশস্ত্র দেবত্বে মণ্ডিত।
আর সেই আকাশে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে এক বার্তা— যদি স্পর্শ করতে চাও ভারতকে ,তবে প্রস্তুত হও সুদর্শনের মুখোমুখি হতে!
