গত ৭ মে ভারতের হামলায় পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে নিহত জঙ্গিদের নাম, পরিচয় প্রকাশ। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্র অনুযায়ী মৃতরা হলেন,
১. মুদাসসর খাদিয়ান খাস ওরফে মুদাসসর ওরফে আবু জুন্দাল
সংগঠন: লস্কর-ই-তৈবা
মুরিদকেতে মারকাজ তৈবার দায়িত্বে ছিলেন।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তার শেষযাত্রায় ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়।
পাক সেনাপ্রধান ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নাওয়াজের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক।
শেষযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় একটি সরকারি স্কুলে। যেখানে ইমামের কাজ করেন হাফিজ আব্দুল রউফ (জামাত-উদ-দাওয়ার নেতা, একজন আন্তর্জাতিক ভাবে ঘোষিত জঙ্গি নেতা)।
শেষযাত্রায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক কর্মরত লেফটেন্যান্ট জেনারেল ও পঞ্জাব পুলিশের আইজি উপস্থিত ছিলেন।
২. হাফিজ মহম্মদ জামিল
সংগঠন: জইশ-ই-মহম্মদ
মৌলানা মাসুদ আজহার-এর বড় শ্যালক।
বাহাওয়ালপুরে মারকাজ সুবহান আল্লাহর দায়িত্বে ছিলেন।
যুবকদের কট্টর মৌলবাদে প্ররোচিত করা ও সংগঠনের জন্য অর্থ সংগ্রহে সক্রিয় ভাবে জড়িত ছিলেন।
৩. মহম্মদ ইউসুফ আজহার ওরফে উস্তাদ জি ওরফে মহম্মদ সেলিম ওরফে ঘোসি সাহেব
সংগঠন: জইশ-ই-মহম্মদ
মৌলানা মাসুদ আজহারের শ্যালক।
জইশ জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন।
জম্মু ও কাশ্মীরে একাধিক জঙ্গি হামলায় জড়িত ছিলেন।
আইসি-৮১৪ বিমান ছিনতাই মামলায় ওয়ান্টেড ছিলেন।
৪. খালিদ ওরফে আবু আকাশা
সংগঠন: লস্কর-ই-তৈবা
জম্মু ও কাশ্মীরে বহু সন্ত্রাসবাদী হামলায় জড়িত ছিলেন।
আফগানিস্তান থেকে অস্ত্র চোরাচালানে জড়িত ছিলেন।
তার শেষযাত্রা ফয়সালাবাদে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা ও ফয়সালাবাদের ডেপুটি কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।
৫. মহম্মদ হাসান খান
সংগঠন: জইশ-ই-মহম্মদ
মুফতি আসগর খান কাশ্মীরির পুত্র, যিনি পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে জইশ-এর অপারেশনাল কমান্ডার ছিলেন।
জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলা সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
