বৃহস্পতিবার দুপুরে বিকাশ ভবনে হঠাৎ হাজির হন বিধাননগর পুরনিগমের চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত। তাঁর আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন চাকরিচ্যুত আন্দোলনকারীরা। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্লোগান, ধাক্কাধাক্কি আর হট্টগোলের মধ্যে ঘটে বিশৃঙ্খলা। এমনকি সাংবাদিকদের উপর হামলার অভিযোগও ওঠে সব্যসাচীর ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে।
এই ঘটনার পর শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদেরই দায়ী করা হয়। এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার ও এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) জাভেদ শামিম জানান, “প্রথম অবৈধ পদক্ষেপটি এসেছিল আন্দোলনকারীদের দিক থেকেই।”
সুপ্রতিম সরকার বলেন, “একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি বিকাশ ভবনে নিজস্ব কাজেই এসেছিলেন। তাঁকে ঢুকতে না দিয়ে তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো আইনসম্মত নয়। কাউকে ঘেরাও করে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখার অধিকার কারও নেই।”
পুলিশ জানায়, যদি সাংবাদিকদের উপর হামলার কোনও নির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়ে, তবে তদন্ত করে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এদিকে, ঘটনার সময় সব্যসাচী দত্ত নিজে আন্দোলনকারীদের সরাতে নামেন। এক আন্দোলনকারী তাঁর গাড়ির সামনে শুয়ে পড়লে তিনি তাঁকে টেনে সরানোর চেষ্টা করেন এবং বলেন, “এগুলো সরাতে এক মিনিটও লাগবে না।” ঠিক তাঁর সামনেই এক সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিককে ধাক্কা মারার ঘটনাও ঘটে।
এই ঘটনার জেরে আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ ও প্রশাসনের অবস্থান—দু’দিক নিয়েই উঠছে নানা প্রশ্ন।
