YouTuber Jyoti Malhotra: নয়াদিল্লির পাকিস্তান হাই কমিশনের কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। এমনকী এহশার-উর-রাহিম, ওরফে দানিশের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল। দীর্ঘ জেরায় এমনই চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ধৃত ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্রার। হিসার পুলিশের মুখপাত্র বিকাশ কুমার জানিয়েছেন নভেম্বর ২০২৩ সাল থেকে মার্চ ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাক হাইকমিশনের এই আধিকারিকের সঙ্গে গভীর যোগাযোগ ধৃত এই পাক গুপ্তচরের ছিল। এমনকী পাক গুপ্তচর হিসাবে জ্যোতিকে গড়ে তোলার পিছনে দানিশের অবদান ছিল বলেও মত তদন্তকারী সংস্থার।
গত শনিবার ভারতে বসে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচর হিসাবে কাজ করার অভিযোগে হরিয়ানার বাসিন্দা ট্র্যাভেল ব্লগার জ্যোতিকে (YouTuber Jyoti Malhotra) গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে দফায় দফায় তাঁকে জেরা করেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। বিকাশ কুমার জানিয়েছেন, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই দানিশের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল বলে জেরায় জানিয়েছেন জ্যোতি। এমনকী একাধিক ইউটিউবারের সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল বলে দাবি পুলিশের।
YouTuber Jyoti Malhotra: ফোন-ল্যাপটপেই লুকিয়ে ‘রহস্য’?
পুলিশ সূত্রে খবর, জ্যোতির তিনটি মোবাইল ফোন এবং ল্যাপটপ ইতিমধ্যেই ফরেন্সিকের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই ফোন ল্যাপটপ ঠিক ভাবে অনুসন্ধান করলেই আরও তথ্য উঠে আসতে পারে। তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘ জেরায় জ্যোতি এও স্বীকার করেছেন যে পাকিস্তানের এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। হোয়াটসঅ্যাপ, স্ন্যাপচ্যাট, টেলিগ্রাম অ্যাপকে ব্যবহার করে স্পর্শকাতর তথ্য পাচার হয়ে যেত বলেও অভিযোগ। এই অবস্থায় জ্যোতির ব্যবহৃত ফোন, ল্যাপটপে সমস্ত ‘রহস্য’ লুকিয়ে থাকতে পারে বলে মত তদন্তকারীদের।
অন্যদিকে হিসার পুলিশ আরও জানিয়েছে, ধৃত এই ইউটিউবারের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। সেই সমস্ত অ্যাকাউন্টে একাধিক লেনদেন হয়েছে। কীভাবে কোথা থেকে সেই টাকা এল তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর।
YouTuber Jyoti Malhotra: তদন্তে এনআইএ-আইবি
