নির্বাচনের সময় তাঁকে সমর্থন না করা পপ সম্রাজ্ঞী টেইলর সুইফটকে ভুলতেই পারছেন না ট্রাম্প।কদিন আগেই ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে তিনি লিখেছেন “টেইলর সুইফট এখন আর ‘হট’ নন”। আর খুব স্বাভাবিক ভাবেই এই নিয়ে শুরু হয়েছে নানা বিতর্ক।এনডিটিভি এই রিপোর্ট দিয়েছে।
এই মুহূর্তে টেইলর সুইফট শুধু একজন পপস্টারই নন, সর্বাধিক গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী মহিলা শিল্পীদের মধ্যে একজন। তাঁর ‘ দ্য ইরাস ট্যুর’ বিশ্বের সবচেয়ে উপার্জন করা কনসার্ট ট্যুর, যা ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বিলবোর্ড হট ১০০-এ সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শীর্ষ গানের রেকর্ড এখন তাঁর ঝুলিতে। সুইফট ২০২৪ সালের নির্বাচনে কমলা হ্যারিসকে সমর্থন জানিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের সমালোচনার মুখেও তিনি তার অবস্থান থেকে সরে আসেননি। টেইলরের মত জনপ্রিয়তম শিল্পী সমর্থন না করায় প্রাথমিকভাবে ট্রাম্প তেমন গুরুত্ব না দিলেও পরে তিনি সরাসরি লেখেন, “আমি টেইলর সুইফটকে ঘৃণা করি!”
ট্রাম্প শুধু টেইলর সুইফটকেই নয়, কমলা হ্যারিসকে সমর্থন করা কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী ব্রুস স্প্রিংস্টিনকেও টার্গেট করেছেন। সম্প্রতি ইউরোপে কনসার্ট ট্যুরে স্প্রিংস্টিন ট্রাম্পের শাসনকে ‘স্বৈরাচারী’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন।
টেইলরের গল্প অতীত হয়ে গেলেও গত শুক্রবার ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “কেউ কি খেয়াল করেছেন, আমি ‘আমি টেইলর সুইফটকে ঘৃণা করি’ বলার পর থেকে সে আর ‘হট’ নেই?”
কন্যাসম শিল্পীর সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এমন কথা অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না।গত কয়েক মাসে ট্রাম্প একাধিকবার সুইফটের নাম উল্লেখ করেছেন, এমনকি সুপার বোলের সময় তাকে ভর্ৎসনা করা নিয়েও মন্তব্য করেছিলেন। গত মাসে ফিলাডেলফিয়া ঈগলসের সম্মান দেওয়ার অনুষ্ঠানেও তিনি সুইফটের প্রসঙ্গ টানেন। ট্রাম্প সমর্থকরা একে তাঁর স্পষ্টবাদীতার উদাহরণ হিসেবে মনে করালেও অনেকেই তাকে নারীবিদ্বেষী ও অপ্রাসঙ্গিক আক্রমণের জন্য অভিযুক্ত করছেন।যদিও টেইলর সুইফট এখনও এই মন্তব্যের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি।
Jazzbaat24Bangla • Beta
Leave a comment
Leave a comment
