ফের মকড্রিলের নির্দেশিকা জারি। পাকিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন চার রাজ্যে এই মকড্রিলের নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জম্মু ও কাশ্মীর, গুজরাট, পাঞ্জাব এবং রাজস্থানে এই মকড্রিল হবে বলে জানানো হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে। কেন্দ্রের তরফে এই চার রাজ্যের মানুষকে সতর্ক থাকার কথাও বলা হয়েছে। গত কয়েকদিন আগেই ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়।
সীমান্ত সংলগ্ন এই সমস্ত রাজ্যের একাধিক শহরকে টার্গেট করে হামলা চালায় পাকসেনা। সূর্যের আলো ডুবলেই ব্ল্যাকআউট করে দেওয়া হচ্ছিল জম্মু-কাশ্মীর, পাঞ্জাব, রাজস্থান সীমান্ত সংলগ্ন একাধিক এলাকা। যদিও পরিস্থিতি এখন অনেকটাই শান্ত। হঠাৎ কেন মকড্রিলের এহেন নির্দেশ, তা নিয়ে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে। আবার নতুন কোন আশঙ্কায় এমন নির্দেশ তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, ভারত এবং পাকিস্তানের উত্তেজনার আবহে গত ৭ মে দেশের একাধিক রাজ্যে এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মকড্রিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আপদকালীন পরিস্থিতিতে সাইরেন বাজানোর কথা বলা হয় সেই সময় । সেই অনুযায়ী দেশের ২৪৪ টি রাজ্যে এই মকড্রিল হয়।
মকড্রিল হয় বাংলার একাধিক জায়গায়। জরুরি পরিস্থিতিতে কী করতে হবে সেই সংক্রান্ত মহড়া চলে শহরের একাধিক স্কুলে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে তার ঠিক আগে ৬ মে রাতেই অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালায় ভারতীয় সেনা।
পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে একাধিক জঙ্গিঘাঁটি গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
বলে রাখা প্রয়োজন, ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে ৩,৩০০ কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ সীমান্ত আছে। আর সেই সীমান্ত ঘেঁষা জম্মু ও কাশ্মীর, গুজরাট, পাঞ্জাব এবং রাজস্থানে আগামিকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুরু হবে বিশেষ মহড়া। যেখানে আপদকালীন পরিস্থিতিতে কীভাবে নিজেকে রক্ষা করতে হবে, কী করতে হবে সমস্ত কিছু ফের একবার ঝালিয়ে নেওয়া হবে।
আর এই ড্রিল উপলক্ষে এই চার রাজ্যের মানুষকে একদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা আঁটসাঁট করার কথাও বলা হয়েছে।
