হিংসার ঘটনায় উত্তপ্ত অসমের ধুবরি। জারি কার্ফু। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুষ্কৃতীদের ‘দেখা মাত্র গুলি’র নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ একটি জেলা ধুবরি। আর সেখানেই পুলিশকে পরিস্থিতি কড়া হাতে নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে রাতে সন্দেহভাজন কাউকে দেখলেই গুলির করার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত দিয়েছেন।
এ বিষয়ে একটি টুইটও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যেখানে লিখছেন, ‘অশান্তি তৈরির চেষ্টা চলছে। যা কখন সরকার মেনে নেবে না।’ বলে রাখা প্রয়োজন, ধুবরির এক মন্দিরে অশান্তি শুরু হয়। তা থেকে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে শুক্রবারই সেখানে যান অসমের মুখ্যমন্ত্রী। কথা বলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। অভয় দেন, মানুষের পাশে আছে তাঁর প্রশাসন।
ঘটনার পর থেকেই এলাকায় কার্ফু জারি রয়েছে। সিআরপিএফ, র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সকে মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি ঘুরে দেখে মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেওয়ার কথা বলা হয়েছে পুলিশ প্রশাসনকে। একই সঙ্গে মন্দির-সহ যে সমস্ত পবিত্র ধর্মীয় স্থান আছে সেগুলিতেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী এই প্রসঙ্গে আরও জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। ঘটনায় কাউকে ছাড়া হবে। বিশ্বশর্মা বলেন, দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
একই সঙ্গে ধুবরির মানুষকে ভয় না পাওয়ার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ভয় পাবেন না। শান্তিতে থাকুন। প্রয়োজন পড়লে আমি নিজেই সারারাত মন্দির পাহারা দেব।” আর তা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, “এক বিশেষ গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সন্দেহ হলেই গুলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” গত ৮ জুন থেকে অশান্ত ধুবরির পরিস্থিতি।
