পহেলগামকাণ্ডের দু’মাস হল রবিবার। একজন জঙ্গিও ধরা পড়েনি। ঘটনার দু’মাস পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এনআইএ-এর হাতে সাফল্য বলতে, পহেলগামের জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে ধরা। পাক মদতপুষ্ট লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গিদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল অভিযুক্তরা। গত ২২ এপ্রিল পহেলগামে জঙ্গিরা নির্বিচারে গুলি করে খুন করে পর্যটকদের। সবুজে ঘেরা বৈসরন উপত্যকায় জঙ্গি হামলায় নিহত হন ২৬ জন পর্যটক। গুরুতর আহত হয়েছিলেন ১৬ জন।
জানা গিয়েছে ধৃতদের নাম পারভেজ আহমেদ জোঠার ও বশির আহমেদ জোঠার। ধৃতদের যথাক্রমে পহেলগাঁওয়ের বাটকোট ও হিল পার্ক থেকে গ্রেফতার করা হয়। হেফাজতে নিয়ে এনআইয়ের জেরায় জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ার কথা স্বীকার করে ধৃতরা। হামলার আগে জঙ্গিদের পহেলগাঁওতে থাকার জায়গা, খাবারের বন্দোবস্ত ও অন্যান্য নানা সাহায্য করেছিল এই ধৃতরা।
সূত্রের খবর, হামলার আগে পর্যন্ত হিল পার্ক এলাকায় একটি কুঁড়েঘরে থাকছিল জঙ্গিরা। এ দিন জেরায় তিন জঙ্গির নাম পরিচয় জানায় ধৃতরা। তিন সশস্ত্র জঙ্গি পাকিস্তানের নাগরিক বলে জানায় তারা। পহেলগাঁওতে হামলার উদ্দেশে কাশ্মীরে এসে ঘাঁটি গেড়েছিল তিন জঙ্গি। তিন জনই লস্কর ই তৈবার সদস্য। ধৃত দুই ব্যক্তিকে জেরা করে পহেলগাঁওয়ের হামলার আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।
গত ২২ এপ্রিল হামলার বিভীষিকা ভুলতে পারেনি গোটা দেশ। এখনও পহেলগামের জঙ্গিরা অধরাই। কাশ্মীরে জঙ্গিদের খোঁজে বার বার তল্লাশি অভিযান চালান হলেও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযানে পাকিস্তানের জঙ্গিদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, যুদ্ধবিরতির আর্জি নিয়ে ভারতের পায়ে পড়তে হয় পাকিস্তানকে। তারপর রাজনীতির গতি ক্রমশ বেড়েছে। কিন্তু এখনও অধরা পহেলগামে গণহত্যা চালানো জঙ্গিরা।
