২৭ জুন শুক্রবার দুপুর ২টোয় রাজাপুরের প্রাচীন জগন্নাথ মন্দির থেকে শুরু হবে ইসকন মায়াপুরের রথযাত্রা। ৫ কিমি অতিক্রম করে পৌঁছাবে চন্দ্রোদয় মন্দিরে, জানালেন আয়োজকরা।
প্রতি বছরের মতো এ বছরও রাজাপুর-মায়াপুরে ধর্মীয় উৎসাহ ও সামাজিক মিলনের আবহে ইসকনের রথযাত্রা হতে চলেছে। ২৭ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই আয়োজন। উল্টো রথ বেরোবে ৫ জুলাই শনিবার, ফিরে যাবে রাজাপুর মন্দিরে। রথ চলাকালীন মাসির বাড়ি হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে পঞ্চতত্ত্ব মন্দির চত্বরে তৈরি অস্থায়ী গুন্ডিচা মন্দির।
এই কদিন চলবে ৫৬ ভোগ নিবেদন, জগন্নাথ অষ্টকম পাঠ, দীপ দান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাটক-নৃত্য এবং ভক্তদের জন্য প্রসাদ বিতরণ। শিশুদের জন্য থাকছে আলাদা ছোট্ট রথযাত্রার আয়োজন ২৯ জুন রবিবার বিকেলে মায়াপুর চন্দ্রোদয় মন্দিরে।
১ জুলাই মঙ্গলবার পালন হবে হেরা পঞ্চমী উৎসব। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ এই রথযাত্রায় অংশ নেবেন, থাকবে জল ও প্রসাদ বিতরণ কেন্দ্র, পথে পথে পূজার ব্যবস্থা এবং চৈতন্য ঘরানার নৃত্য-সংগীত।
ইসকনের তরফে জানানো হয়েছে, শুধু রাজাপুর নয়, গঙ্গাসাগর থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত রাজ্যের শতাধিক স্থানে এবং বিশ্বের ১০০টি দেশের প্রায় ৮০০টি শহরে এই আষাঢ়ের রথযাত্রা পালন করা হবে। তবে বাংলায় পুরির রথের দিনেই রথযাত্রা পালন হয়।
ভক্তদের বিশ্বাস, এই দিন জগন্নাথ ঠাকুর নিজে রত্নসিংহাসন ছেড়ে নামেন রাজপথে, ভক্তদের সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য। তাই জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে তাঁর রথের দড়িতে টান দিতে চায়, প্রণাম জানাতে চায়।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, রথযাত্রার দিনগুলিতে উপচে পড়া ভিড় সামলাতে ও তীর্থযাত্রীদের সুবিধার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সকলের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে রথযাত্রায় অংশগ্রহণের ও সহযোগিতার।
