টিসিএসের কর্মী ছাঁটাইয়ের বর্তমান পরিকল্পনার কথা মোটামুটি সবাই জেনে গেছেন। একেবারে ১২ হাজার কর্মী অর্থাৎ সংস্থার মোট কর্মীর প্রায় ২ শতাংশকে বসাতে চলেছে চলেছে দেশের সবচেয়ে বড় তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিস (টিসিএস)। সংস্থার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় কর্মী ছাঁটাইয়ে প্রভাব পড়বে মিডল ও সিনিয়র স্তরের কর্মীদের উপরে।
এই ছাঁটাইয়ের পেছনে টিসিএসের যুক্তি, এআই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে খরচের বোঝা কমাতে এই বিপুল সংখ্যক কর্মী ছাঁটাই। কিন্তু এখানেই নাকি শেষ নয়। এরপর আরও বৃহৎ সংখ্যায় কর্মী ছেঁটে ফেলতে পারে তারা। আর এখানেই চিন্তা বাড়িয়েছে কেন্দ্রের। পুরো বিষয়টির উপর নজর রাখছে তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক। কেন্দ্রের প্রযুক্তি মন্ত্রক জানিয়েছে, প্রয়োজনে বিষয়টিতে টিসিএসের সঙ্গে তারা কথা বলতে পারে।
ছাঁটাই প্রসঙ্গে টিসিএসের সিইও কে কৃতিবাসন জানিয়েছেন, ছাঁটাইয়ে আমরা বিশ্বাস করি না, কিন্তু বাধ্য হয়ে করতে হচ্ছে। কোথাও কোথাও স্কিলের অমিল রয়েছে, কোথাও আবার এমন পরিস্থিতি যেখানে কাউকে ঠিকভাবে নিয়োগ করা যায়নি। তিনি আরও জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ধাপে ধাপে কর্মী ছাঁটাই করা হবে। তবে কোনও নির্দিষ্ট অঞ্চল ডিপার্টমেন্ট ধরে নয়, দেশজুড়ে এই ছাঁটাই করা হবে।
উল্লেখ্য, বাজারে চাহিদার অভাব পাশাপাশি ক্রমাগত মুদ্রাস্ফীতি এবং নয়া মার্কিন বাণিজ্য নীতির প্রভাযে ভারতের ২৮৩ বিলিয়ন ডলারের তথ্য প্রযুক্তির বাজার এখন খানিকটা দুর্বল। এই সমস্যা থেকে বেরোতে নানান পরিবর্তন এনেছে টিসিএস। গত মাসেই বেঞ্চিং পলিসিতে বদল এনেছে টিসিএস। বেঞ্চ টাইম কমিয়ে বছরে ৩৫ দিন করে দেওয়া হয়েছে।নতুন অ্যাসোসিয়েটদের জন্য ডিপ্লয়মেন্ট পলিসি এনেছে তারা। প্রত্যেক কর্মীর জন্য বছরে ২২৫ দিন বিলিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
