বর্ষা শুরু হলেই কলকাতা শহরে বিপজ্জনক বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটে। তাতে কোথাও প্রাণহানি ঘটে, কোথাও মানুষ গুরুতর জখম হন। কলকাতা পুরসভার হিসাবে শহরে গড়ে প্রতি বছর ১০ থেকে ১৫টি বিপজ্জনক বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটে। চলতি বর্ষায় ইতিমধ্যেই এই ধরনের দুটি ঘটনা ঘটেছে। রাতে হওয়ার ফলে হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি।
কলকাতা পুরসভার ডিজি বিল্ডিং উজ্জ্বল সরকার জানিয়েছেন, বর্তমানে শহরে দু’ হাজার বিপজ্জনক বাড়ি রয়েছে। যে সব বাড়িতে পুরসভার পক্ষে বিপজ্জনক বাড়ি বলে নোটিস দেওয়া হয়েছে, এটি তারই মধ্যে। তিনি জানান, এর মধ্যে অন্তত ৩০০ বাড়ি রয়েছে, যেগুলির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। কিন্তু আইনি জটিলতার জন্য পুরসভা সেগুলি ভাঙতে পারছে না।
ডিজি বিল্ডিং দপ্তর সূত্রের খবর, এই সব পুরাতন বিপজ্জনক বাড়ি ভেঙে নতুন বাড়ি করলে এফ এ আর- এ কিছু ছাড় দেওয়ার একটি প্রকল্প বেশ কিছু দিন আগে ঘোষণা করে পুরসভা। এই প্রকল্পে কিছু সাড়া পাওয়া গেলেও, যে পর্যায়ে সাড়া পাওয়ার আশা করা গিয়েছিল তেমন পাওয়া যায়নি। মূলত ভাড়াটিয়া সমস্যা এর মূল কারণ বলে পুরকর্তারা মনে করছেন।
ওই সূত্র জানিয়েছে, কোনও বিপজ্জনক বাড়ির কিছু অংশ ভেঙে পড়লে, পুরসভা ওই বাড়ির বাকি ‘অতি বিপজ্জনক’ অংশ ভেঙে ফেলে বেশিরভাগ সময়ে। আর আইনি সমস্যা না থাকলে পুরসভা সেই বাড়ি ভেঙেই ফেলে।
ওই সূত্র জানিয়েছে, প্রতি বছর কলকাতা পুর এলাকায় তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার নতুন বাড়ি তৈরির নকশা অনুমোদন করে পুরসভা।
Leave a comment
Leave a comment
