সমাজ মাধ্যমে এই মুহূর্তে অন্যতম চর্চার বিষয় হল, বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মার অবসর। রো-কো ইতিমধ্যেই টি-টোয়েন্টি এবং টেস্ট থেকে অবসর নিয়েছেন। শুধুমাত্র ৫০ ওভারের ফরম্যাটেই খেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। যদিও গত ফেব্রুয়ারি-মার্চে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর টিম ইন্ডিয়ার পরবর্তী ওয়ানডে সিরিজ অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। যার অর্থ, রো-কোকে খুব শিগগিরই ভারতীয় জার্সিতে দেখা যাবে না।
আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৭ সালে। যা খেলতে দুই মহাতারকাই মরিয়া হলেও মনে করা হচ্ছে যে তাঁদের সে আশা পূরণ হবে না। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আসন্ন একদিনের সিরিজটিই বিরাট-রোহিতের শেষ সিরিজ হতে পারে। সত্যিই কি তাই? এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন বিসিসিআইয়ের সহ সভাপতি রাজীব শুক্লা। আর নিজের জবাবেই সকল জল্পনার কার্যত অবসান ঘটিয়ে দিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়েছিলেন বোর্ডের সহ সভাপতি। সেখানে সচিন তেন্ডুলকরের বিদায়ী সিরিজের প্রসঙ্গ টেনে প্রশ্ন রাখা হয় তাঁর কাছে। তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, বিরাট এবং রোহিতকে কি তাঁদের বিদায়ী সিরিজ আয়োজন করার জন্য জিজ্ঞেস করা হয়েছিল? যেমনটা ২০১৩ সালে শচীনের ক্ষেত্রে হয়েছিল। কিন্তু এই প্রশ্ন শুনেই এক প্রকার মেজাজ হারান রাজীব। তাঁর পাল্টা প্রশ্ন, “ওঁরা কবে অবসর নিলেন?”
রাজীব আরও বলেন, “বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মা দুজনেই ওয়ানডে খেলবেন। তা হলে তাঁদের বিদায়ী সিরিজ নিয়ে কেন চিন্তিত আপনি? হ্যাঁ, এটা ঠিক যে তাঁরা পর পর দুটি ফর্ম্যাট থেকে অবসর নিয়েছেন। কিন্তু তাঁরা ওয়ানডে তো খেলছেন, তাই না? তাই এটা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করার দরকার নেই।” বোর্ডের সহ সভাপতি জানান, বিসিসিআইয়ের নীতিই হল কোনও খেলোয়াড়কে অবসরের বিষয়ে জোরাজুরি না করা। তাঁর কথায়, “অবসরের সিদ্ধান্ত একজন খেলোয়াড় নিজেই নেন। আর আমরা সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান করি। আমরা কেবল তখনই সিদ্ধান্ত নিতে পারি যখন এটি আনুষ্ঠানিক হয়। বিরাট কোহলি অত্যন্ত ফিট। এবং রোহিত শর্মা এত ভাল খেলছে। তাঁদের বিদায় নিয়ে আপনি কেন চিন্তিত?”
