কাস্টমসের কাছে হেরে সুপার সিক্সের লড়াই থেকে কার্যত ছিটকে যাওয়া মোহনবাগান, তাদের কলকাতা লিগের অভিযান শেষ করল জয় দিয়ে। শনিবার নৈহাটির বঙ্কিমাঞ্জলি স্টেডিয়ামে পাঠচক্রকে হারাল ৫-২ গোলের ব্যবধানে। ডেগি কার্ডোজোর মোহন বাগানে হ্যাটট্রিক করলেন করণ রাই। সবুজ মেরুণের বাকি দুই গোলদাতা পাসাং দর্জি তামাং এবং পীযূষ ঠাকরি। পাঠচক্রের হয়ে ব্যবধান কমিয়েছেন ডেভিড মোল্লা ও সৌম্যজিৎ তরফদার। ডেভিডের গোল পেনাল্টি থেকে পাওয়া।
সিএফএল প্রিমিয়ারের এ গ্রুপে ১০ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে মোহনবাগান। অন্যদিকে ১১ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে শেষ করল পাঠচক্র। এ গ্রুপের লিগ টেবিলে প্রথম ৩টি স্থানে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল, পুলিশ এসি এবং সুরুচি সঙ্ঘ। ইস্টবেঙ্গল ১১ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে ইতিমধ্যেই সুপার সিক্সে। বাকি কোন ২ টি দল সুপার সিক্সে উঠবে তা সুরুচি সংঘ এবং কলকাতা কাস্টমসের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের ফলাফলের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত হবে।
মেসারার্সের বিরুদ্ধে মোহনবাগানের পরিত্যক্ত ম্যাচ নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি আইএফএ। তাই হিসেব অনুযায়ী শনিবারই লিগ পর্যায়ে শেষ ম্যাচ ছিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের। আর সেই ম্যাচে বড় ব্যবধানে জিতেছে ডেগি কার্ডোজোর দল। অন্যদিকে পাঠচক্র ভাল শুরু করেও শেষ পর্বে টানা হারতে থাকায় সুপার সিক্সের লড়াই থেকে ছিটকে যায়।
নৈহাটির বঙ্কিমাঞ্জলি স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছন্দে খেলেছে দুই দল। ম্যাচের ৬ মিনিটে গোল করে সবুজ মেরুণ ব্রিগেডকে এগিয়ে দেন পাসাং দর্জি তামাং। ১৪ মিনিটে পাঠচক্রের ডেভিড মোল্লা পেনাল্টি থেকে গোল করে ম্যাচের ফল ১-১ করেছেন। বাগানের তরুণ স্ট্রাইকার, করণ রাই ২৪ মিনিটে গোল করে দলকে লিড এনে দেন। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে পীযূষ ঠাকরির গোল মোহনবাগানের লিড বাড়িয়ে ৩-১ করেছে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেও আক্রমণের চাপ বজায় রেখেছিল মোহনবাগান। ম্যাচের ৪৮ মিনিট এবং ৬৫ মিনিটে গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন স্ট্রাইকার করণ রাই। ৬৯ মিনিটে পাঠচক্রের সৌম্যজিৎ তরফদার ব্যবধান কমিয়ে ২-৫ করেছেন। শেষ পর্যন্ত ওই ৫-২ ব্যবধানে পাঠচক্রের বিরুদ্ধে জিতেই মাঠ ছেড়েছেন সবুজ-মেরুণের ফুটবলাররা।
