সুরজিৎ ঘোষ, নদিয়া
কলকাতাকে এ বছরেও টেক্কা দিতে তৈরি জেলা। ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে আমেরিকার স্বামীনারায়ণ মন্দিরের আদলে পুজোমণ্ডপ নদিয়ার কল্যাণীর রথতলা সর্বজনীন দুর্গা উৎসব কমিটির। ৬২ বছরে পা দিল এই পুজো। সনাতনী চিন্তাভাবনা থেকেই তৈরি এই পুজো মন্ডপ। গোটা মণ্ডপে সোনালি রঙের ছোঁয়া। মণ্ডপের ভেতরে রয়েছে বিভিন্ন কারুকাজ যা চোখ ধাঁধিয়ে দেবে দর্শনার্থীদের। শিল্পীদের নিপুণ হাতে সুসজ্জিত এই পুজো মণ্ডপ। দুর্গা প্রতিমাতেও রয়েছে বিশেষ আকর্ষণ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভার্চুয়াল উদ্বোধন করে দেওয়ার পর থেকে ঢল নেমেছে দর্শনার্থীদের। এখন থেকেই ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন পুজো উদ্যোক্তারা। যদিও হাজার হাজার দর্শনার্থীদের পুজো মণ্ডপ দর্শন করার জন্য রয়েছে একাধিক বিধি নিষেধ। বাড়তি ভলেন্টিয়ার থাকছে এই পুজো মণ্ডপে। এছাড়াও কল্যাণীর পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে করা হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা। অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য পুজো মন্ডপের চারপাশে অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থাও রয়েছে। পুজো উদ্যোক্তা জানিয়েছেন, নদিয়ার কল্যাণী এখন শারদীয়া উৎসবে হ্যাপনিং। এখন আর কলকাতা নয়, নদিয়ার কল্যাণীতে দূর দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা আসছেন ঠাকুর দেখতে। বেশ কয়েক বছর ধরে কলকাতাকে টেক্কা দিচ্ছে নদিয়া। মালদহ, মুশিদাবাদ, বীরভূম সহ বিভিন্ন জেলার মানুষ কাতারে কাতারে আসছেন কল্যাণীর একের পর এক চমকদারি পুজো মণ্ডপ দেখতে।
দুর্গোৎসব বাঙালির কাছে এক অন্যতম আবেগ, পুজোর ছুটির বেশ কয়েকটা দিন এই উৎসবে শামিল হয় আপামর বাঙালি। নদিয়া জেলার মধ্যে অন্যতম শহর কল্যাণী। গত বেশ কয়েক বছর ধরে কল্যাণীর একাধিক পুজো মণ্ডপ টেক্কা দিচ্ছে কলকাতার পুজোগুলিকে। দর্শনার্থীদের বাঁধভাঙা ভিড় সামাল দিতে সক্রিয় পুলিশ প্রশাসন। এখন থেকেই উপচে পড়ছে ভিড়। দশমী পর্যন্ত লাখ লাখ দর্শনার্থীদের ভিড় সামাল দিতে কোমর বেঁধে তৈরি পুলিশ প্রশাসনও।
