
তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়া ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করার পর থেকেই নানাবিধ বিতর্কে ঘেরা। দলের বিরোধিতার মধ্যেই মসজিদ নির্মাণে অনড় হুমায়ুন দাবি করছেন, তিনি নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন। তাই রাজ্য সরকারের দেওয়া তিন কনস্টেবলের পাশাপাশি এবার হায়দরাবাদ থেকে আট জন ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী এনে প্রহরা আরও কড়া করলেন তিনি।
হুমায়ুন জানান, ‘‘আমাকে খুন করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। আল্লাহ আছেন। আমাকে মারলেও মসজিদ আমি তৈরি করেই ছাড়ব।’’ তাঁর কথায়, পরিবার ও পরিচিতদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র থাকলেও আইনগত সীমাবদ্ধতার কারণে সেগুলি দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই হায়দরাবাদের একটি বেসরকারি সংস্থা পাওয়ার সিকিউরিটি সার্ভিসেস থেকে পেশাদার রক্ষী আনা হয়েছে।
বিকল্প রাজনৈতিক জোটের জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, নিরাপত্তা বা রাজনীতি নয়, এখন তাঁর একমাত্র লক্ষ্য মসজিদ নির্মাণ। তবে সেই পথ সহজ নয়। বড় আকারের বাবরি মসজিদ তৈরির জন্য প্রয়োজন প্রায় ৩০ বিঘা জমি। দাবি, এখনও পর্যন্ত ২৫ বিঘা জমির সম্ভাব্য জায়গার খোঁজ মিলেছে, কিন্তু এক টুকরোতে পুরো জমি জোগাড় করা যাচ্ছে না। ফলে বেলডাঙায় শিলান্যাস না করে রেজিনগর থানা এলাকার ছেতিয়ানি গ্রামে মাত্র তিন কাঠা জমিতে প্রতীকী শিলান্যাস করতে হয়েছিল তাঁকে।
তবুও তাঁর আত্মবিশ্বাস অটুট। ঘোষণা করেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হবে। ঠিক কোথায় হবে সে বিষয়ে এখনই কিছু জানাতে নারাজ হুমায়ুন। তাঁর বক্তব্য, ‘‘মসজিদ তো আকাশে হবে না, মাটিতেই হবে। সময় হলেই সবাই জানতে পারবেন জমি কোথায়।’’
