
পশ্চিমবঙ্গে এই শীতের শুরুতেই ঠান্ডার তীব্রতা বেড়েছে। আলিপুর হাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ‘মাঘের শীত বাঘের গায়ে’ প্রবাদ এবার সত্যি প্রমাণিত হচ্ছে। কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম।
শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ১.২ ডিগ্রি কম। দিনের তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রির আশেপাশে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আবহাওয়া বিশেষ পরিবর্তন হবে না বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস।
দক্ষিণবঙ্গে শীতলতম স্থান শ্রীনিকেতনকে ছাড়িয়ে এবার কল্যাণী হয়ে উঠেছে সবচেয়ে ঠান্ডা জেলা। নদিয়ার কল্যাণীতে তাপমাত্রা নেমেছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, শ্রীনিকেতনে ছিল ৮ ডিগ্রি। এছাড়া দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা কমছে। উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় এই সময়ে বড় কোনো পরিবর্তন হবে না।
আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মকর সংক্রান্তি পর্যন্ত কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হবে। আগামী দুইদিনে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা আরও দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমতে পারে। পরবর্তী চার থেকে পাঁচ দিন আবহাওয়া তেমন পরিবর্তন হবে না।
রাজ্যের শীতলতম স্থান এখনও দার্জিলিং, যেখানে রাতের তাপমাত্রা ছিল ৩.৬ ডিগ্রি এবং দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতের এই তীব্রতা থাকায় মানুষ এবং ছাত্রছাত্রীরা কাঁপছে, বিশেষ করে শ্রীনিকেতন ও কল্যাণী অঞ্চলে।
এই বছরের মাঘের শীত সত্যিই কঠোর। দক্ষিণবঙ্গের মানুষকে কেবল তাপমাত্রা কম নয়, বরং কনকনে ঠান্ডার জন্যও প্রস্তুত থাকতে হবে।
