
কলকাতা পুলিশের এক কর্মীর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, যা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। অভিযোগকারিণী সোনারপুর থানা এলাকার এক তরুণী। তাঁর অভিযোগ, তিনি একটি আয়া সেন্টারের মাধ্যমে কসবা থানার ওই পুলিশ অফিসারের বাড়িতে রান্নার কাজ করতে গিয়েছিলেন।
তরুণীর কথায়, বাড়ির অন্য সদস্যরা বাইরে গেলে অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার পেছন থেকে এসে তাঁকে জড়িয়ে ধরেন এবং শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। প্রতিবাদ করলে তাঁকে চোরের অপবাদ দেওয়া হয় এবং জোর করে সাদা কাগজে কিছু লিখতে বাধ্য করা হয়। ঘটনার পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।
নির্যাতিতা ই-মেলের মাধ্যমে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ, ঘটনার পর থেকে তাঁকে নিয়মিত হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যা তাঁর দৈনন্দিন জীবনকে চরম আতঙ্কপূর্ণ করে তুলেছে।
সোনারপুরের স্থানীয়রা বলছেন, রক্ষকের ভূমিকায় থাকা পুলিশের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অনেকেই উদ্বিগ্ন, এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ কিভাবে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকে তদন্তকারীরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছেন। ঘটনার সত্যতা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।
স্থানীয় প্রশাসন এবং সমাজকর্মীরা এমন ধরনের ঘটনা প্রতিরোধের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থার তদারকি বাড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছেন। পাশাপাশি, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও নির্যাতিতা সহায়তা ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
এখনও তদন্ত চলমান, তবে এই ঘটনার প্রভাব সোনারপুরের মানুষদের মধ্যে গভীর আতঙ্ক এবং উদ্বেগ ছড়িয়েছে।
