
সোশ্যাল মিডিয়ায় আবারও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে অভিনেত্রী ও ইনফ্লুয়েন্সার উর্ফি জাভেদ। সম্প্রতি একটি ভাইরাল ভিডিওতে দাবি করা হয়, উর্ফিকে ইসলাম ধর্ম থেকে ‘বরখাস্ত’ করা হয়েছে এবং তাঁর নাম পরিবর্তন করে ‘গীতা ভারদ্বাজ’ রাখা হয়েছে। ভিডিওতে বলা হয়, উর্ফির পোশাক এবং জীবনধারা ইসলাম ধর্মের নিয়ম ভঙ্গ করছে। এমনকি কিছু অংশে দেখা যায়, মৌলানার কাছে চিঠি দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
এই ঘটনায় দীর্ঘ সময় নীরব ছিলেন উর্ফি, তবে অবশেষে তিনি নিজের বক্তব্য প্রকাশ করেছেন। উর্ফি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এই ধরনের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং গুজব ছাড়া কিছু নয়। তিনি জানান, বহু বছর ধরেই তিনি কোনও ধর্ম অনুসরণ করেন না এবং বর্তমানে তিনি নাস্তিক বা অ্যাথিস্ট। তাই তাকে ধর্ম থেকে ‘বরখাস্ত’ করার প্রশ্নই ওঠে না। নাম পরিবর্তনের দাবিকেও তিনি হাস্যকর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
উর্ফি আরও বলেন, তার ব্যক্তিগত বিশ্বাস এবং জীবনধারার প্রতি বারবার ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি মনে করেন, ব্যক্তিগত পছন্দ ও বিশ্বাস নিয়ে সমাজের হস্তক্ষেপ অতিরিক্ত। এই বিতর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। একদল মানুষ বিষয়টিকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন, আবার অনেকেই উর্ফির পাশে দাঁড়িয়েছেন। তারা মনে করেন, কেউ নিজেই যদি কোনও ধর্ম মানে না, তবে তাকে ধর্মচ্যুত করার কোনো প্রশ্নই আসে না।
সব মিলিয়ে, উর্ফি জাভেদের ইসলাম থেকে বহিষ্কৃত বা নাম পরিবর্তনের দাবির পক্ষে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অভিনেত্রীর নিজের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি কোনও ধর্মের সঙ্গে যুক্ত নন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো গুজবের মধ্যেই এই বিতর্ক সীমাবদ্ধ রয়েছে। উর্ফি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন, এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি সমাজের প্রয়োজনীয় শ্রদ্ধার কথাও স্মরণ করিয়েছেন।
