
নন্দীগ্রাম : বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রামে নিজের ভোট দিয়ে বেরিয়ে আসার পর এভাবেই প্রথম প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “২০১১ সালেও এমন প্রতিষ্ঠান বিরেধীতা আমি দেখিনি। হিন্দুরা সংকিত। এরা ক্ষমতায় এলে হিন্দুদের বাঁচতে দেবে না”। তাঁর সাফ হুঁশিয়ারী, এবার বিজেপি ক্ষমতায় এলে সমস্ত ক্রিমিনালদের আইন মেনে শাস্তির মুখে পড়তে হবে। এটা আমরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিচ্ছি, মমতাকে শিক্ষা দেবে এবারের ভোটাররা”।
শুভেন্দু জানান, “এবারের যুব সমাজের একটাই আওয়াজ, চাকরী চুরির বিরুদ্ধে তারা ভোট দিচ্ছে। হিন্দু মহিলারা নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচাতে ভোট দিচ্ছে”। শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি, “ভোটারদের কোনও ভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করবেন না। এবার বোমাবাজি, গুলি, ভয় দেখনো এসব আর চলবে না। এবার অমিত শাহ নিজে কলকাতায় বসে থেকে ভোটের ওপর নজরদারী করছেন। বিজেপির প্রত্যেক সমর্থক ও কর্মীদের সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব তিনি এবার নিজে হাতে তুলে নিয়েছেন”।
শুভেন্দু জানান, “২০২১ এ বিজেপি কর্মীরা তৈরী ছিল তৃণমূলকে হারানোর জন্য। কিন্তু সাধারণ মানুষ সেভাবে তৈরী ছিল না। এবার সাধারন মানুষের মধ্যে সেই উন্মাদনা দেখতে পাচ্ছি। এবার সাধারণ ভোটাররা বদলাতে চাইছেন। আমরা সেই পরিবর্তনের হাওয়া চাক্ষুষ করছি”।
শুভেন্দুর মতে, আসল ভোট এবার দক্ষিণ কলকাতা, আর দুই ২৪ পরগণায় দেখতে পাবেন। এবার ফেক ভোটার নেই, বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীরা নেই, তাই এবার মমতা নিশ্চিত হারবেন।”
প্রসঙ্গত, এবার নন্দীগ্রাম জুড়ে কেবলমাত্র গেরুয়া পতাকায় ভোট লড়ছে বিজেপি। ধর্মীয় মেরুকরণকেই সব থেকে বেশী প্রাধান্য দিয়েছেন শুভেন্দু। সেই কারনেই চন্ডীপুর ছাড়িয়ে নন্দীগ্রামের প্রবেশপথে পৌঁছালেই গেরুয়া পতাকার দাপট নজর কাড়বেই। বিজেপির দলীয় পতাকা যতটা না দেখা যাবে তার বহুগুন গেরুয়া পতাকাই নজর কাড়বে। এক নজরে নন্দীগ্রামকে মন্দির শহর বললে ভুল হবে না।
