চলতি আইপিএলে এক ঝলক দুর্দান্ত ফর্মে দেখা মিলছে দিল্লি ক্যাপিটালসের। দ্বিতীয় ঘরের মাঠে নেমে দিল্লি প্রমাণ করেছে—জয়ের লক্ষ্য এবার শুধুই তাদের। টানা লখনউ সুপার জায়ান্টস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে হারিয়ে ছন্দে ফিরেছে তারা বিশাখাপত্তনমে।
দলে লোকেশ রাহুলের সংযোজন যেন নতুন করে প্রাণ ফিরিয়েছে দিল্লির শিবিরে। অক্ষর প্যাটেলের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে কার্যকর একতা ও ভারসাম্যপূর্ণ কম্বিনেশন। ডাগআউটে যেমন পরিকল্পনার ছাপ, মাঠে তেমনই মিচেল স্টার্কের গতিময় আক্রমণ প্রতিপক্ষের জন্য রীতিমতো ত্রাস। এবার চেন্নাইয়ের ঘরের মাঠে পা রেখে টানা তৃতীয় জয়ের লক্ষ্যে নামতে চলেছে দিল্লি ক্যাপিটালস।
অন্যদিকে, চেন্নাই সুপার কিংসের শুরুটা উজ্জ্বল হলেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি তারা। অধিনায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের চোটে ছন্দে ঘাটতি স্পষ্ট, ব্যাটিং অর্ডারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে সেই অনুপস্থিতি। সমর্থকদের চোখ এখন ধোনির দিকে—যিনি অতীতে অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতায় বহুবার দলকে বিপদের মুখ থেকে ফিরিয়েছেন। এই ম্যাচে তাঁর ‘আনক্যাপড’ প্রত্যাবর্তন হতে পারে নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
দিল্লি ক্যাপিটালস দলে বড়সড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুবই কম। চলতি মরসুমে যেভাবে দল ছন্দে রয়েছে, তাতে একাদশে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার দিকেই ঝুঁকছে টিম ম্যানেজমেন্ট। আগের ম্যাচগুলিতে যারা কার্যকর পারফরম্যান্স দিয়েছেন, তাদের ওপরেই ভরসা রাখতে চায় দিল্লি। চেন্নাইয়ের স্পিন সহায়ক উইকেটের কথা মাথায় রেখে ত্রিস্তান স্টাবস হতে পারেন বড় ফ্যাক্টর।
স্পিনের বিপক্ষে তাঁর কার্যকারিতা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। অপরদিকে, পেস আক্রমণে বদলের ইঙ্গিত রয়েছে। নটরাজন যদি পুরোপুরি ফিট থাকেন, তাহলে তাঁকে একাদশে ফেরানো হতে পারে, এবং সেই জায়গায় মোহিত শর্মাকে বসতে হতে পারে বেঞ্চে।
চেন্নাই সুপার কিংস দিক থেকে অবশ্য ভিন্ন ছবি দেখা যেতে পারে। দলের সাম্প্রতিক ফর্ম ও অধিনায়কের চোটজনিত অনুপস্থিতি মাথায় রেখে একাদশে কিছু গুরুত্বপূর্ণ রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন মুখের দেখা মিলতে পারে এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে। ম্যাচের আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসবে টিম ম্যানেজমেন্ট, তবে কিছু চমক থাকাটাই স্বাভাবিক।
