শঙ্খদ্বীপ মুখোপাধ্যায়
দিল্লি–হাওড়া রুটের দীনদয়াল উপাধ্যায় বা মুঘল সরাই থেকে ধানবাদের কাছে প্রধানখুন্তা জংশন পর্যন্ত ৪২৩ কিলোমিটার পথে আপ ও ডাউন দু’দিকেই গতির মহড়ায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৬০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চালানো সম্ভব হয়েছে সম্প্রতি। ভারতীয় রেলের ‘মিশন রফতার’ প্রকল্প এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের ‘গতিমান ভারত’ প্রকল্পের উদ্দেশ্য একটাই যাত্রিবাহী ট্রেনের গড় গতি বৃদ্ধি। এই প্রকল্পে বড় ভূমিকা নিয়েছে তেজস এবং বন্দে ভারতের মতো সেমি হাইস্পিড ট্রেন। তবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এখনও পর্যন্ত ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৩০ কিলোমিটারের চেয়ে বেশি গতিতে চলে না। ভারতীয় রেলের পরিকল্পনা, খুব তাড়াতাড়ি রাতে চলার জন্য বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু করা। এই ট্রেনের গতি হবে ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার। দিল্লি-হাওড়া রুটে ১৬০ কিমি গতিতে ট্রায়াল বন্দে ভারতের
প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের ‘গতিমান ভারত’ প্রকল্পের উদ্দেশ্য একটাই যাত্রিবাহী ট্রেনের গড় গতি বৃদ্ধি
গতির যুদ্ধে রাজধানী এক্সপ্রেসকে পিছনে ফেলে দিল্লি হাওড়া রুটের দখল নিতে চলেছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। ২০১৯ এ বাণিজ্যিক ভাবে যাত্রী পরিবহণ শুরু করার পর থেকে এতদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৩০ কিলোমিটার গতিতে চলেছে। কিন্তু আগামী দিনে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের স্লিপার সংস্করণ চালু হলে সেই ট্রেন চলবে ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার গতিতে। দিল্লি হাওড়া রুটের দীনদয়াল উপাধ্যায় বা মুঘল সরাই থেকে ধানবাদের কাছে প্রধানখুন্তা জংশন পর্যন্ত ৪২৩ কিলোমিটার পথে আপ ও ডাউন দু’দিকেই গতির মহড়ায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৬০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চালানো সম্ভব হয়েছে সম্প্রতি। ভারতীয় রেলের ‘মিশন রফতার’ প্রকল্প এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের ‘গতিমান ভারত’ প্রকল্পের উদ্দেশ্য একটাই যাত্রিবাহী ট্রেনের গড় গতি বৃদ্ধি। এই প্রকল্পে বড় ভূমিকা নিয়েছে তেজস এবং বন্দে ভারতের মতো সেমি হাইস্পিড ট্রেন। তবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এখনও পর্যন্ত ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৩০ কিলোমিটারের চেয়ে বেশি গতিতে চলে না। ভারতীয় রেলের পরিকল্পনা, খুব তাড়াতাড়ি রাতে চলার জন্য বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু করা। এই ট্রেনের গতি হবে ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার । তবে ট্রেন দ্রুতগতির করতে গেলে ট্র্যাককে সেই অনুপাতে মজবুত করতে হয়। কয়েক বছর ধরে সেই কাজও শুরু হয়েছে বিভিন্ন রুটে। বিশেষ ইস্পাতে তৈরি ট্র্যাক শেষ পর্যন্ত তীব্র গতির বন্দে ভারত স্লিপার চালানোর উপযুক্ত কি না,তারই পরীক্ষা হলো দিল্লি হাওড়া রুটের দীনদয়াল উপাধ্যায় জংশন এবং প্রধানখুন্তা জংশনের মধ্যে। ভারতীয় রেলের ট্র্যাক ও রোলিং স্টক বিভাগের আধিকারিকরা জানিয়েছেন এই গ্র্যান্ড কর্ড সেকশনটি ইস্ট সেন্ট্রাল রেলওয়ে জ়োনের অংশ। ৪ এপ্রিল দীনদয়াল উপাধ্যায় জংশন থেকে সকাল ১০টা ৪৭–এ বন্দে ভারত যাত্রা শুরু করে ধানবাদের দিকে। দুপুর ১২টা ৩৪–এ পৌঁছয় গয়ায়। সেখানে ১০ মিনিটের বিরতি নিয়ে ফের যাত্রা শুরু করে দুপুর ২টো ৪০–এ ঢোকে ধানবাদে। ফিরতি যাত্রায় ট্রেনটি ধানবাদ ছাড়ে দুপুর ৩টে ৪৩–এ। বিকেল ৫টা ৩৪–এ গয়া পৌঁছনোর পর ১০ মিনিটের বিরতি নিয়ে ট্রেনটি দীনদয়াল উপাধ্যায় জংশনে পৌঁছয় সন্ধে ৭টা ২৪–এ।
