প্রবল গ্রীষ্মে কি শুধু মানুষের কষ্ট হয়, ভক্তের ভগবান ও তার ব্যতিক্রম নন। কথিত আছে রাজা ইন্দ্রদুঘ্ন কে প্রভু জগন্নাথদেব স্বপ্নাদেশ দেন যে এই প্রবল গ্রীষ্মের দাবদাহ থেকে শান্তি দিতে তার মাথায় এবং সর্বাঙ্গে যেন চন্দনের প্রলেপ দেওয়া হয়, কারণ প্রভু জগন্নাথ দেব, মানব রুপী ভগবান। ভক্তের কষ্ট ভগবান এর ও কষ্ট। সাধারণ মানুষের যেমন প্রখর রোদে গ্রীষ্মের তাপে শিরঃপীড়া হয়, সর্বাঙ্গে জ্বলন অনুভূত হয়, সেই সময় দেহ শীতল রাখতে চন্দনের প্রলেপ দেওয়া হয়, তেমনি প্রভু জগন্নাথ দেব ও সেই কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে রাজা ইন্দ্রদুঘ্নকে এই চন্দন যাত্রা করার জন্য আদেশ দেন ।সেই মতো যুগ যুগ ধরে এই প্রথা চলে আসছে চন্দন যাত্রা উৎসব।
বুধবার অক্ষয় তৃতীয়ার দিন বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে ৬২৯ বছরের প্রাচীন ঐতিহাসিক মাহেশ জগন্নাথ দেবের মন্দিরে পালিত হল চন্দন যাত্রা অনুষ্ঠান। ভোর সাড়ে চারটের সময় মঙ্গল আরতির মধ্য দিয়ে এই পর্বের সূচনা হয়। এদিন ভোররাতে প্রচুর মানুষ এসে প্রভু জগন্নাথ ,বলরাম এবং মা সুভদ্রার মঙ্গল আরতি প্রত্যক্ষ করেন এবং আশীর্বাদ নেন। এরপর সকাল ছয়টা থেকে শুরু হয়ে যায় জগন্নাথ দেবের চন্দন যাত্রার জন্য চন্দন বাটা অনুষ্ঠান, মহিলা ভক্তরা এসে বাবার মাথায় যে চন্দন লেপন করা হয় সেই চন্দন বাটেন।, বেলা এগারো টার সময় চন্দন যাত্রার সন্ধিক্ষণে গর্ভ গৃহে প্রভু জগন্নাথ, বলরাম মা সুভদ্রার মাথায় চন্দনের প্রলেপ দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠান দেখতে কয়েক হাজার মানুষ এসে ভিড় জমান জগন্নাথসৌমেন রায় চৌধুরী,মহেশ হুগলি
প্রবল গ্রীষ্মে কি শুধু মানুষের কষ্ট হয়, ভক্তের ভগবান ও তার ব্যতিক্রম নন। কথিত আছে রাজা ইন্দ্রদুঘ্ন কে প্রভু জগন্নাথদেব স্বপ্নাদেশ দেন যে এই প্রবল গ্রীষ্মের দাবদাহ থেকে শান্তি দিতে তার মাথায় এবং সর্বাঙ্গে যেন চন্দনের প্রলেপ দেওয়া হয়, কারণ প্রভু জগন্নাথ দেব, মানব রুপী ভগবান। ভক্তের কষ্ট ভগবান এর ও কষ্ট। সাধারণ মানুষের যেমন প্রখর রোদে গ্রীষ্মের তাপে শিরঃপীড়া হয়, সর্বাঙ্গে জ্বলন অনুভূত হয়, সেই সময় দেহ শীতল রাখতে চন্দনের প্রলেপ দেওয়া হয়, তেমনি প্রভু জগন্নাথ দেব ও সেই কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে রাজা ইন্দ্রদুঘ্নকে এই চন্দন যাত্রা করার জন্য আদেশ দেন ।সেই মতো যুগ যুগ ধরে এই প্রথা চলে আসছে চন্দন যাত্রা উৎসব।
বুধবার অক্ষয় তৃতীয়ার দিন বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে ৬২৯ বছরের প্রাচীন ঐতিহাসিক মাহেশ জগন্নাথ দেবের মন্দিরে পালিত হল চন্দন যাত্রা অনুষ্ঠান। ভোর সাড়ে চারটের সময় মঙ্গল আরতির মধ্য দিয়ে এই পর্বের সূচনা হয়। এদিন ভোররাতে প্রচুর মানুষ এসে প্রভু জগন্নাথ ,বলরাম এবং মা সুভদ্রার মঙ্গল আরতি প্রত্যক্ষ করেন এবং আশীর্বাদ নেন। এরপর সকাল ছয়টা থেকে শুরু হয়ে যায় জগন্নাথ দেবের চন্দন যাত্রার জন্য চন্দন বাটা অনুষ্ঠান, মহিলা ভক্তরা এসে বাবার মাথায় যে চন্দন লেপন করা হয় সেই চন্দন বাটেন।, বেলা এগারো টার সময় চন্দন যাত্রার সন্ধিক্ষণে গর্ভ গৃহে প্রভু জগন্নাথ, বলরাম মা সুভদ্রার মাথায় চন্দনের প্রলেপ দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠান দেখতে কয়েক হাজার মানুষ এসে ভিড় জমান জগন্নাথ দেবের মন্দিরে । জগন্নাথ দেবের প্রধান সেবাইত সৌমেন অধিকারী ,ট্রাস্টি বোর্ডের সম্পাদক পিয়াল অধিকারী সহ মন্দিরের পুরোহিতরা বাটা চন্দন ভগবানের মাথায় প্রলেপ করেন ,এ বিষয়ে বলতে গিয়ে জগন্নাথ দেব ট্রাস্টি বোর্ডের সম্পাদক পিয়াল অধিকারী জানান বৈশাখ মাসের শুক্ল পক্ষের তৃতীয়াতে বা অক্ষয় তৃতীয়াতে এই চন্দন যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়, ।পুরীতে মদনমোহন কে নরেন্দ্র সরোবরের চন্দন জলাশয়ে নিয়ে গিয়ে জল কেলি করানো হয় এখানে পঞ্চম পান্ডব মহাদেবদের ও স্নান পর্ব অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় । এই চন্দন যাত্রা অত্যন্ত শুভদিনে অনুষ্ঠিত হয়, কারণ বাংলা মাস অনুযায়ী সারা বছরে চারটি শুভ দিন আছে, তাদের মধ্যে পয়লা বৈশাখ, বিজয়া দশমী, কার্তিক মাসের প্রথম দিন, এবং অক্ষয় তৃতীয়া। এদের মধ্যে সবথেকে শুভ দিন হচ্ছে অক্ষয় তৃতীয়া, তাই এই দিনই প্রভুর চন্দন যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবছর এই দিন মহেশের জগন্নাথ দেবের চন্দন যাত্রা প্রত্যক্ষ করতে এবং প্রভুর কাছে আশীর্বাদ নিতে ভোর রাত থেকে প্রচুর মানুষের আগমন ঘটে ।এবারও তার অন্যথা হয়নি। মানবজাতির অত্যন্ত পবিত্র তীর্থক্ষেত্র জগন্নাথ দেবের মন্দিরে চন্দনযাত্রার পর ভোগ আরতি হয় এবং ভক্তরা এসে প্রসাদ গ্রহণ করেন। এই উৎসব উপলক্ষে জগন্নাথ মন্দির প্রাঙ্গণ ছিল উৎসবমুখর । প্রভু জগন্নাথ দেবের যে চন্দন যাত্রার সূচনা এদিন হল তা আগামী ৪২ দিন ধরে চলবে, প্রতিদিন প্রভুর মাথায় এবং সর্বাঙ্গে চন্দনের প্রলেপ দেওয়া হবে ,তার দেহ শীতল করার জন্য ।টানা ৪২ দিন এই চন্দন লেপন পর্ব চলার পর ৪২ দিনের মাথায় আগামী ১১ই জুন প্রভু জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে সেদিন মন,মন দুধ এবং ঘড়া ঘড়া গঙ্গাজল দিয়ে তার স্থান-পর্ব স্নান যাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
দেবের মন্দিরে । জগন্নাথ দেবের প্রধান সেবাইত সৌমেন অধিকারী ,ট্রাস্টি বোর্ডের সম্পাদক পিয়াল অধিকারী সহ মন্দিরের পুরোহিতরা বাটা চন্দন ভগবানের মাথায় প্রলেপ করেন ,এ বিষয়ে বলতে গিয়ে জগন্নাথ দেব ট্রাস্টি বোর্ডের সম্পাদক পিয়াল অধিকারী জানান বৈশাখ মাসের শুক্ল পক্ষের তৃতীয়াতে বা অক্ষয় তৃতীয়াতে এই চন্দন যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়, ।পুরীতে মদনমোহন কে নরেন্দ্র সরোবরের চন্দন জলাশয়ে নিয়ে গিয়ে জল কেলি করানো হয় এখানে পঞ্চম পান্ডব মহাদেবদের ও স্নান পর্ব অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় । এই চন্দন যাত্রা অত্যন্ত শুভদিনে অনুষ্ঠিত হয়, কারণ বাংলা মাস অনুযায়ী সারা বছরে চারটি শুভ দিন আছে, তাদের মধ্যে পয়লা বৈশাখ, বিজয়া দশমী, কার্তিক মাসের প্রথম দিন, এবং অক্ষয় তৃতীয়া। এদের মধ্যে সবথেকে শুভ দিন হচ্ছে অক্ষয় তৃতীয়া, তাই এই দিনই প্রভুর চন্দন যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবছর এই দিন মহেশের জগন্নাথ দেবের চন্দন যাত্রা প্রত্যক্ষ করতে এবং প্রভুর কাছে আশীর্বাদ নিতে ভোর রাত থেকে প্রচুর মানুষের আগমন ঘটে ।এবারও তার অন্যথা হয়নি। মানবজাতির অত্যন্ত পবিত্র তীর্থক্ষেত্র জগন্নাথ দেবের মন্দিরে চন্দনযাত্রার পর ভোগ আরতি হয় এবং ভক্তরা এসে প্রসাদ গ্রহণ করেন। এই উৎসব উপলক্ষে জগন্নাথ মন্দির প্রাঙ্গণ ছিল উৎসবমুখর । প্রভু জগন্নাথ দেবের যে চন্দন যাত্রার সূচনা এদিন হল তা আগামী ৪২ দিন ধরে চলবে, প্রতিদিন প্রভুর মাথায় এবং সর্বাঙ্গে চন্দনের প্রলেপ দেওয়া হবে ,তার দেহ শীতল করার জন্য ।টানা ৪২ দিন এই চন্দন লেপন পর্ব চলার পর ৪২ দিনের মাথায় আগামী ১১ই জুন প্রভু জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে সেদিন মন,মন দুধ এবং ঘড়া ঘড়া গঙ্গাজল দিয়ে তার স্থান-পর্ব স্নান যাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
