ভারতের অপারেশন সিঁদুর অভিযানে একের পর এক পাকিস্তান বায়ুসেনার বেস একেবারে তছনছ হয়ে গিয়েছে। ভেঙে গিয়েছে এয়ারস্ট্রিপ। ধ্বংস হয়ে গিয়েছে চিনের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। আর এরপরেই পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডারকে ঢেলে সাজাচ্ছে ইসলামাবাদ। আর তা চিনের দেওয়া অর্থ এবং সেনাবলে। এমনটাই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার। কার্যত ভারতের আতঙ্কেই পাকিস্তানে এহেন তৎপরতা বলেও উল্লেখ ওই রিপোর্টে।
আজ রবিবার মার্কিন ওই গোয়েন্দা সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট’ নামক একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। আর সেখানেই জঙ্গিবাদে মদত দেওয়া পাকিস্তানকে নিয়ে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে। ওই রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান সামরিক পরিকাঠামোকে ঢেলে সাজাচ্ছে। আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়েছে। বিশেষ করে সীমান্তে সংঘর্ষ যাতে সহজে মোকাবিলা করা সম্ভব হয় সেই লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা বলে দাবি করা হয়েছে।
রিপোর্টে দাবি, পাকিস্তান ভারতকে সবথেকে হুমকি বলে মনে করে। আর সেই কারণে পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে ক্রমাগত আধুনিক করার পথে ইসলামাবাদ। একইসঙ্গে পরমাণু প্রযুক্তিতেও জোর দিয়েছে তারা। তবে পাকিস্তানের হাতে থাকা সম্পদ রক্ষা করে এই উন্নয়নের কাজ করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ। রিপোর্টে দাবি, এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিয়েছে চিন।
বিনাশকারী অস্ত্র তৈরির বড় উপকরণ এবং প্রযুক্তি দিয়ে সবরকম ভাবে সাহায্য করছে বেজিং। আর তা হংকং, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মতো দেশগুলির মাধ্যমে করাচিতে পৌঁছে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, পাকিস্তানের সামরিক শক্তির উৎসই হল চিন। মিসাইল থেকে শুরু করে নানারকম সামরিক সরঞ্জাম সে দেশকে বিক্রি করে থাকে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা ব্যাপক ভাবে বেড়ে গিয়েছে।
জঙ্গি কার্যকলাপ বন্ধ না করলে কড়া ভাষায় জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে ভারতের তরফে। এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন এই রিপোর্ট খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন সামরিক পর্যবেক্ষকরা।
