স্বামীকে হত্যার দায়ে ধৃত সোনম রঘুবংশীর ঠিকানা হতে চলেছে শিলং জেল। গত ২৩ মে মধুচন্দ্রিমায় স্বামীকে নৃশংস ভাবে খুনের ঘটনায় সোনমকে গ্রেফতার করে মেঘালয় পুলিশ। দফায় দফায় জেরার মুখে পড়ে ইতিমধ্যে দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন। পরিকল্পনা করে যে তিনি রাজাকে খুন করিয়েছেন তাও পুলিশকে জানিয়েছেন বলে খবর। শুরু হয়েছে আইনি প্রক্রিয়া। আইনজীবীরা বলছেন, রাজা রঘুবংশী হত্যা মামলায় সোনমের শাস্তি ঘোষণা সময়ের অপেক্ষা। ফলে দেশের অন্যতম হাইপ্রোফাইল হত্যা মামলায় রায়ের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ।
অন্যদিকে সোনমের জন্য প্রস্তুত শিলং জেল। আইনি প্রক্রিয়া চলাকালীন সেখানেই কাটাতে হবে তাঁকে। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত এক মহিলা ইতিমধ্যেই কারাগারে রয়েছেন। সোনম দ্বিতীয় মহিলা যিনি খুনের মামলার অন্যতম প্রধান আসামী। শিলং সংশোধনাগারে মোট ৪৯৬ জন বন্দি রয়েছেন, যার মধ্যে মাত্র ১৯ জন মহিলা।
সোনমের সঙ্গে জেলে কারা থাকবেন?
ওই সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শিলং জেলে সোনম ২০তম আসামী হবেন। জেলে ওয়ার্ডেন অফিসের পাশেই বিশেষ এক সেলে রাখা হবে। তাঁর সঙ্গে থাকবেন আরও দুই বিচারাধীন মহিলা বন্দি। থাকবে কড়া নিরাপত্তাও। এমনকী সিসিটিভির মাধ্যমেও ২৪ ঘণ্টা সোনমের উপর নজর থাকবে বলেও প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে। জেলের নিয়ম অনুযায়ী সোনমকে টিভি দেখার এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেওয়া হবে।
তবে কারা কারা দেখা করতে চান সেই নাম আগে জেলারকে জানাতে হবে। জানা যাচ্ছে, সংশোধনাগারে থাকা মহিলা কয়েকদিরা সেলাই সহ একাধিক স্কিল ডেভালোপমেন্ট হয় এমন কাজ করে থাকেন। যা খবর, স্বামীর হত্যার দায়ে বিচারাধীন সোনমকেও জেলে থাকাকালীন এই কাজগুলি করতে হবে।
মেঘালয় পুলিশ সূত্রের খবর, তদন্তে আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, ধৃত সোনম একবার নয়, একাধিকবার রাজাকে খুনের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সম্ভব হয়নি। তবে চতুর্থবারের চেষ্টায় একেবারে সুপরিকল্পিত ভাবে রাজাকে খুন করা হয় বলে দাবি পুলিশের।
