হ্যাটট্রিক করতে পারলেন না কার্লোস আলকারাজ। স্পেনের তারকার সামনে সুযোগ এসেছিল পর পর তিনবার উইম্বলডন জিতে নয়া ইতিহাস লেখার। কিন্তু বিশ্বের এক নম্বর ইয়ানিক সিনারের কাছে আটকে গেল তাঁর গাড়ি। উল্টোদিকে সিনার, তিনি শুধু ঘাসের কোর্টে নিজের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামই জিতলেন না। সেই সঙ্গে পূরণ করলেন ফরাসি ওপেনের বদলাও।
ফরাসি ওপেনের পুরুষদের সিঙ্গেলস ফাইনালেও আলকারাজের মুখোমুখি হয়েছিলেন ইতালির সিনার। আর সেখানে ট্রফির খুব কাছাকাছিও পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। সার্ভিস করতে গিয়ে ৪০-০ এগিয়ে গিয়েছিলেন একটা সময়। কিন্তু তারপরেও তিনটি চ্যাম্পিয়নশিপ পয়েন্ট বাঁচান আলকারাজ। আর হাসেন শেষ হাসি। রবিবার অল ইংল্যান্ডের ঘাসের কোর্টে কিন্তু তেমনটা ঘটল না।
রবিবার উইম্বলডন ফাইনালের ফলাফল ৪-৬, ৬-৪, ৬-৪, ৬-৪। ফরাসি ওপেনের মত এ বারও ৪০-০ এগিয়ে গিয়ে আলকারাজের বিরুদ্ধে একটি পয়েন্ট নষ্ট করেছিলেন সিনার। কিন্তু এরপরই সপাটে মারেন এমন একটি ‘এস’ যা তার শিরোপা নিশ্চিত করে দেয়। আলকারাজের কাছে এই ‘এসে’র কোনও জবাবই না থাকায় ঘাসের কোর্টে তাঁর হ্যাটট্রিক করা হল না। ভেঙে গেল উইম্বলডনে তাঁর টানা ২৪ ম্যাচ জেতার ধারা।
অন্যদিকে চ্যাম্পিয়ন সিনার গড়লেন ইতালির প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে উইম্বলডন জেতার নজির। যদিও তিনি হার্ড কোর্টে খেলতেই বেশি সাবলীল। এর আগে জিতেছেন শুধু ইউএস ওপেন এবং অস্ট্রেলিয়ান ওপেন। এ বার উইম্বলডনে জিতে সিনার যেন বুঝিয়ে দিলেন ঘাসের কোর্টেও রাজা হওয়ার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে। এ বার বাকি শুধু ফরাসি ওপেন। সেটি জিততে পারলেই চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতে ঢুকে পড়বেন টেনিস দুনিয়ার এলিট লিস্টে।
