আপনি কি আপনার প্রতিদিনের খাবারের মাঝে ভিন্ন আর সুস্বাদু কিছু রান্না করতে চান? তাহলে দেরি না করে ঝটপট বানিয়ে ফেলুন ‘আনারস ফ্রায়েড রাইস’। এই খাবারটি থাই রান্নাঘরের একটি উপহার। কথা দিচ্ছি, আনারসের মিষ্টি এবং টক স্বাদ, সবজির মুচমুচে টেক্সচার এবং ভাতের স্বাদ একত্রিত হয়ে একটি দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা হবেই হবে। বিশেষ করে পার্টি বা ডিনারের জন্য পরিবেশন করা যেতে পারে এই আনারসের ফ্রায়েড রাইস। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে আনারসের ফ্রায়েড রাইস বাড়িতে তৈরি করবেন।
আনারস ফ্রায়েড রাইস তৈরি করতে প্রয়োজনীয় উপকরণ
রান্না করা বাসমতি চাল – ২ কাপ (ঠান্ডা)
তাজা আনারসের টুকরো – ১ কাপ
ক্যাপসিকাম কুচি (লাল, হলুদ বা সবুজ) – হাফ কাপ
গাজর – এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ (সরুভাবে কাটা)
পেঁয়াজ কলি – ২ টেবিল চামচ
কাজুবাদাম – ২ টেবিল চামচ
সয়া সস – ১ টেবিল চামচ
সিদ্ধ সবুজ মটরশুঁটি – এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ
আদা রসুন বাটা – ১ চা চামচ
তেল – ২ টেবিল চামচ
লবণ – স্বাদ অনুযায়ী
কালো মরিচ – হাফ চা চামচ
লেবুর রস – ১ চা চামচ
সবুজ ধনেপাতা – সাজানোর জন্য।
জাজবাত বাংলায় আরও পড়ুন
আনারস ফ্রাইড রাইস তৈরির ধাপ:
ধাপ ১: প্রথমে সব সবজি এবং আনারস কেটে নিন। ক্যাপসিকাম, গাজর এবং আনারসের টুকরো কেটে একপাশে রাখুন। আপনি চাইলে আনারসের খোসা ফ্রায়েড রাইসের পাত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
ধাপ ২: কাজু বাদাম ভাজুন। একটি প্যানে তেল গরম করে কাজু বাদাম হালকা সোনালি না হওয়া পর্যন্ত ভেজে তুলে রাখুন।
ধাপ ৩: এবার একই তেলে আদা-রসুন বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ ভাজুন। এরপর গাজর, ক্যাপসিকাম এবং মটরশুঁটি দিয়ে ২-৩ মিনিট ধরে উচ্চ আঁচে ভাজুন যাতে এগুলো কিছুটা মুচমুচে থাকে।
ধাপ ৪:এবার কাটা আনারস, সয়া সস, লবণ এবং গোলমরিচ যোগ করুন। এক মিনিটের জন্য নাড়ুন।
ধাপ ৫: এবার আগে থেকে ৮০% সিদ্ধ করে রাখা ভাত দিয়ে দিন এবং ধীরে ধীরে সমস্ত উপকরণ মিশিয়ে নিন যাতে চাল ভেঙে না যায়। ২-৩ মিনিট ভাজুন।
ধাপ ৬: এবার ফিনিশিং টাচ। ভাজা কাজুবাদাম, লেবুর রস এবং পেঁয়াজ কলি দিন। উপরে সবুজ ধনেপাতা ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।
আরও পড়ুন
আনারসের খোসায় ভরে এই খাবারটি পরিবেশন করুন। এর সাথে ফ্রুট পাঞ্চ বা কোল্ড ড্রিঙ্ক পরিবেশন করুন। যদি ভাত একদিন আগে রান্না করা হয়, তাহলে এর স্বাদ আরও ভালো হয়। আনারস যদি তাজা হয় তাহলে খাবারের স্বাদ এবং সুবাস বৃদ্ধি পায়। এই খাবারটি বিশেষ করে তাদের জন্য যারা ভিন্ন এবং স্বাস্থ্যকর কিছু খেতে পছন্দ করেন। একবার তো বানিয়ে দেখুন, স্বাদ ভুলতে পারবেন না।

