যুদ্ধ যাতে থামে তার জন্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে কম ছোটাছুটি কিছু করছেন না তিনি। আলাস্কায় ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভ্লাদিমির পুতিনের শীর্ষ বৈঠকের পর এবার জেলেনস্কি ছুটছেন আমেরিকায়।কারণ তার সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্বয়ং। শুরু হবে শান্তির খোঁজ। কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্টের বার্তা, পুতিন যুদ্ধবিরতির বদলে একটি সমগ্র শান্তি চুক্তিতে বেশি আগ্রহী।
ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্প যদি সত্যিই নোবেল পুরস্কার পান তাহলে তার অর্ধেকটা দাবি করতেই পারেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।কারণ এই যুদ্ধ থামাতে লাগাতার লড়ে যাচ্ছেন তিনি। দীর্ঘ বছর তিনেকের ছোটাছুটি তো আছেই, আলাস্কায় ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকের আগেই ইউরোপীয় নেতাদের বোঝাতে বার্লিন ছুটে গেছেন তিনি। ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। এবার ট্রাম্প ও ভ্লাদিমির পুতিনের শীর্ষ বৈঠকে কোনও সোজাসাপটা ফল না মিললেও আগামী দিনের শান্তির পথ প্রস্তুত করতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন জেলেনস্কি।
ডোনাল্ড ট্রাম্প আলাস্কা থেকে ফেরার পথে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ও কয়েকজন ইউরোপীয় নেতার সঙ্গে দীর্ঘ সময় টেলিফোনে কথা বলেন।জানা গেছে জেলেনস্কির সঙ্গে কথা হয় এক ঘণ্টারও বেশি। ট্রাম্প ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধবিরতির বদলে ‘দ্রুত শান্তি চুক্তি’র পথে এগোতে বলেছেন।তবে সেটা যে কী ধরনের পরিস্থিতি সম্ভবত ট্রাম্প এবং পুতিনই জানবেন। আর জেলেনস্কি এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে জানিয়েছেন তিনি রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে ‘গঠনমূলক সহযোগিতার’ জন্য প্রস্তুত। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, “শান্তি প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাতে ইউক্রেন প্রস্তুত।পরিস্থিতির অগ্রগতিতে আমেরিকার শক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” পাশাপাশি তিনি এও জানিয়েছেন যে, আগামী সোমবার ট্রাম্পের আমন্ত্রণে তিনি ওয়াশিংটনে যাচ্ছেন।
যারা গত ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্প- জেলেনস্কির বৈঠকে তুমুল বাগবিতণ্ডার কথা জানেন তারা বলতেই পারেন শান্তির জন্য এ-ও এক পথ হাঁটা।যে জেলেনস্কিকে কার্যত হোয়াইট হাউজ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল সেই তাঁকেই ডেকে পাঠাতে হচ্ছে সাদা বাড়ির সম্রাটকে।কে না জানে এই শান্তি ফেরানোর কাজটা যতটা ইউক্রেনের জরুরি ঠিক ততটাই আমেরিকারও।
Jazzbaat24Bangla • Beta
Leave a comment
Leave a comment
