আমেরিকার শুল্কবৃদ্ধি মোকাবিলায় মঙ্গলবার উচ্চপর্যয়ের বৈঠক। প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সচিবের নেতৃত্বে বৈঠকে রফতানিকারকদের সহায়তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে খবর।
যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক দ্বিগুণ হয়ে ৫০ শতাংশে পৌঁছনোর প্রেক্ষাপটে রফতানিকারকদের সুরাহা খুঁজতে আগামী ২৬ অগাস্ট উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবে প্রধানমন্ত্রীর দফতর। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সচিব।
বুধবার থেকে মার্কিন বাজারে প্রবেশ করা ভারতীয় পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক কার্যকর হবে। ইতিমধ্যেই ২৫ শতাংশ শুল্কের কারণে রফতানিকারক সংস্থাগুলির মুনাফা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রক রফতানিকারক এবং রফতানি উন্নয়ন পরিষদগুলির সঙ্গে বৈঠক করে সমস্যার পরিমাণ বোঝার চেষ্টা করছে। তবে সরকার সর্বব্যাপী পদক্ষেপের বদলে খাতভিত্তিক সহায়তার দিকেই বেশি গুরুত্ব দিতে চাইছে।
রফতানিকারকরা জরুরি ক্রেডিট লাইন গ্যারান্টি স্কিম (ECLGS) চালুর অনুরোধ জানিয়েছিলেন, যাতে জামানতবিহীন কার্যকরী মূলধন ঋণ দেওয়া যায় এবং সরকারের তরফে ঝুঁকি-সুরক্ষা থাকে। তবে কর্মকর্তাদের মতে, পণ্যভিত্তিক হস্তক্ষেপ আরও কার্যকর হতে পারে।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ক্ষুদ্র সংস্থাগুলি বিশেষ পণ্যভিত্তিক ঋণ এবং জামানত সহায়তাকে যথেষ্ট কার্যকর বলে জানিয়েছে। এছাড়া শিল্পভিত্তিক ক্লাস্টার ফান্ডের কথাও বিবেচনায় রয়েছে।
আধিকারিকরা জানিয়েছেন, রফতানিমুখী সংস্থা এবং ক্ষুদ্র-মাঝারি উদ্যোগ (SMEs) সুরক্ষাকে কেন্দ্রীয় কৌশলের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, কারণ তারা বহিঃশুল্ক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
মঙ্গলবারের বৈঠকে ভারতের পদক্ষেপ চূড়ান্ত হওয়ার আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ৫০ শতাংশ মার্কিন শুল্ক ভারতীয় রফতানিকারকদের মার্জিন আরও কমিয়ে দিতে পারে, সাপ্লাই চেইন বিঘ্নিত করতে পারে এবং বস্ত্র, চামড়া, ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য থেকে শুরু করে বিশেষ রাসায়নিক দ্রব্যের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে বিক্রয় ক্ষমতাকে বিপন্ন করতে পারে।
