বন্যায় বিধ্বস্ত পঞ্জাব। পঞ্জাবের একাধিক এলাকা এখনও জলমগ্ন। বিপর্যস্ত পঞ্জাবের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ৯ সেপ্টেম্বর সে রাজ্যে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত গুরুদাসপুরে সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের সঙ্গে দেখা করবেন। শুনবেন তাঁদের অভাব অভিযোগের কথা। ইতিমধ্যেই পঞ্জাবে বন্যার বলি ৪০ জন। বেশ কয়েকজন এখনও নিখোঁজ। প্রশাসনের আশঙ্কা, মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।
চলতি বছরে ভয়ঙ্কর বৃষ্টি ও বন্যার সাক্ষী উত্তরের একাধিক রাজ্য। একটানা বৃষ্টি, হড়পা বান ও ভূমিধসে বিধ্বস্ত হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, জম্মু ও কাশ্মীর এবং উত্তরপ্রদেশ। বন্যায় বিপর্যস্ত পঞ্জাব এবং দিল্লি। বন্যায় পঞ্জাবের ক্ষয়ক্ষতি নিজের চোখে দেখতেই সে রাজ্যে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের সঙ্গে কথা বলেছেন মোদি। পঞ্জাবে কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বিজেপির পঞ্জাব শাখার তরফে এক্স পোস্টে লেখা হয়েছে, ৯ সেপ্টেম্বর গুরুদাসপুর আসছেন প্রধানমন্ত্রী। বন্যা কবলিত ভাই-বোন ও কৃষকদের সঙ্গে দেখা করবেন এবং কথা বলবেন তিনি। দুর্গতদের সাহায্যের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগী হবেন।
জানা গিয়েছে, কৃষকদের জমি বাঁচাতে বিশেষ ভূমিকা নিতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। যার মধ্যে থাকবে তাৎক্ষণিক এবং দীর্ঘমেয়াদী দুই ধরনের পরিকল্পনা। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য রাজ্যের সঙ্গে সমন্বয়ে রেখেই কাজ করতে চায় কেন্দ্র। ইরাবতী, শতদ্রু নদীর মতো গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলির বাঁধ নির্মাণেও কেন্দ্র ও রাজ্য যৌথ উদ্যোগে কাজ হবে। উল্লেখ্য, গত চার দশকের মধ্যে এমন ভয়াবহ বন্যা দেখেনি পঞ্জাব। একটানা প্রবল বৃষ্টির কারণে পাঞ্জাবের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে পঞ্জাবকে বিপর্যস্ত রাজ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে আপ সরকার। পরিস্থিতি সামাল দিতে কাজ করছে সেনাবাহিনীর তিন শাখা। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরাও উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন।
