রাতভর তুমুল বৃষ্টি। শহরের একাধিক রাস্তা জলমগ্ন। মঙ্গলবার ঘুম থেকে উঠেই শহরবাসী দেখলেন জলমগ্ন তিলোত্তমা। সেই সঙ্গে আসতে থাকে একের পর এক মৃত্যুর খবর। ট্রেন বন্ধের খবর। মেট্রো বন্ধের খবর। সেইসঙ্গে রাস্তায় তীব্র যানজট। বাসের চাকার অর্ধেক জলের তলায়। রেললাইনে জল। ট্রেনের চাকা গড়াচ্ছে না। কর্মস্থলে যাওয়ার পথে তুমুল ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ। কার্যত জলের তলায় শহর কলকাতার বহু গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। ফের খোলা তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একের পর এক মৃত্যুর খবর।
কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম তড়িঘড়ি কন্ট্রোলরুমে যান।
কার্যত মেঘভাঙা বৃষ্টিতে জলমগ্ন শহর কলকাতা। কন্ট্রোল রুম থেকে সবটাই নজরে রেখেছিলেন মেয়র। পরিস্থিতি দেখে কলকাতাবাসীকে ঘরে থাকার আবেদন জানান মেয়র। তাঁর কথায়, ‘গত রাতে কলকাতায় অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয়েছে, যার ফলে আমাদের শহরের বেশ কয়েকটি অংশে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। দ্রুত এবং কার্যকর সাড়া নিশ্চিত করার জন্য আমরা কলকাতা কর্পোরেশনের তরফে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। সমস্ত জরুরি পরিষেবা উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে এবং প্রয়োজনে নাগরিকদের সহায়তা করার জন্য কলকাতা পুরসংস্থার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সম্পূর্ণরূপে কার্যকর রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি আমার সকল নাগরিককে অনুরোধ করছি দয়া করে বাড়ির ভিতরে থাকুন এবং জলের স্তর কম না হওয়া পর্যন্ত নিরাপদ থাকুন। যদি বাইরে থাকেন, তাহলে ল্যাম্পপোস্ট এবং আলোর খুঁটি স্পর্শ করা বা ধরে রাখা এড়িয়ে চলুন, কারণ জলমগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার গুরুতর ঝুঁকি থাকতে পারে’।
