
রাজ্যের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বড়সড় ঘাটতির অভিযোগ এনে কেন্দ্রীয় নজরে এল Suvendu Adhikari। তিনি দাবি করছেন, Kolkata Municipal Corporation (কেএমসি) স্বাভাবিক নিয়মে যাচাই না করে বিপুল সংখ্যা জন্ম সনদ জারি করছে। এই সনদ প্রয়োজনে ভূয়া ভোটার তালিকায় ঢুকে তা নিয়মিত ভোটদানে সহায়ক হচ্ছে বলে শুভেন্দুর মতে যুক্তরাজ্য।
অভিযোগ অনুযায়ী, চলমান Special Intensive Revision (SIR) ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় জন্ম সনদ একটি মূল নথি হিসেবে রয়েছে। শুভেন্দুর দাবি, SIR ঘোষণা করার পরই দেরিতে জন্ম নিবন্ধনের নামে এক ধরনের ‘ডিলেয়ারড বার্থ রেজিস্ট্রেশন’ চালু হয়েছে যাতে পিছিয়ে থাকা জন্ম তারিখ দিয়ে বিপুল সনদ দেওয়া যায়।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, উত্তর ২৪ পরগণা এবং কোচবিহার জেলার মতো সীমান্তবর্তী এলাকায় এই ধরনের কার্যক্রম সবচেয়ে বেশি পরিমাণে হচ্ছে। ভূয়া নথি দিয়ে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত প্রদর্শন এবং ভোটার তালিকায় নাম রাখার প্রবণতা দেখা দিয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
উপরন্তু শুভেন্দু ইতিমধ্যেই আরটিআই (তথ্যের অধিকার আইন) আবেদন করেছেন কেএমসিকে, যেখানে গত ৩০ দিনের মধ্যে কতটি জন্ম সনদ জারি হয়েছে, কতটি কলকাতা পৌরসেবার বাইরের ব্যক্তিদের ইস্যু করা হয়েছে, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
এ দিকে, কেএমসির মেয়র ও স্বাস্থ্য বিভাগ এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন যে, জন্ম‑মৃত্যু সনদ প্রসেসিং ঠিক ভাবে চলছে এবং কেউ হয়রানির শিকার হবে না। তবে তারা একই সঙ্গে স্বীকার করেছেন যে এ সময় বেশ চাপ রয়েছে এবং নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন এই ঘটনা ভবিষ্যতের নির্বাচন, ভোটার মনসংখ্যা ও রাজ্যের জনসংখ্যাগত রূপকে পুনরায় আলোচনায় এনে দেবে। প্রশাসনিক জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠছে। তবে এখনও কেএমসি‐রাজ্য প্রশাসন থেকে কোন আনুষ্ঠানিক তদন্ত উদ্যোগ বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
