
আগামিকাল পশ্চিমবঙ্গের এসএসসি (School Service Commission) একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের ফলাফল প্রকাশিত হতে চলেছে। সন্ধ্যা আটটার পর থেকে ফলাফল অনলাইনে দেখা যাবে। এই ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থীর ভবিষ্যৎ। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ফলাফল প্রকাশের আগে রেজাল্ট বারবার খতিয়ে দেখা হয়েছে যাতে কোনো ত্রুটি না থাকে।
ফলাফল ঘোষণার পর প্রথমে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির প্রার্থীদের ইন্টারভিউ নেওয়া হবে। এরপর নবম ও দশম শ্রেণির নথি যাচাই ও ইন্টারভিউ সম্পন্ন হবে। মোট শূন্যপদ ৩৫,৭২৬টি, যার মধ্যে একাদশ-দ্বাদশ স্তরে ১২,৫১৪টি পদ শূন্য রয়েছে। এবার প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৪৩, যার মধ্যে ৩,১২০ জন বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন। পরীক্ষায় প্রায় ৯৩ শতাংশ প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন। প্রতি ১০০টি শূন্যপদের জন্য প্রায় ১৬০ জন প্রার্থী ইন্টারভিউর ডাক পাবেন।
এই পরীক্ষার ইতিহাসেও বিতর্ক কম ছিল না। ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে বাতিল হয়েছিল। প্রায় ২৬ হাজার প্রার্থী চাকরি হারিয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই পরীক্ষার নতুনভাবে আয়োজন হয়। এবারও কিছু প্রার্থী নথি যাচাই সংক্রান্ত দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের নথি যাচাই প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। বিশেষভাবে, আট প্রার্থীর কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক হিসেবে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত নম্বর প্রদানের আবেদন নিয়ে আদালত নির্দেশ দিয়েছে।
এসএসসি ফলাফলের মাধ্যমে রাজ্যের স্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হবে। চাকরিপ্রার্থীদের চোখ এখন আগামিকাল প্রকাশিত ফলাফলে। প্রার্থীরা ইন্টারভিউ ও নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে তাদের নিয়োগ নিশ্চিত করার অপেক্ষায় আছেন।
